মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় বাবা-মায়ের সাথে অভিমান করে আপন মিয়া (১১) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ‘আত্মহত্যা’ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের সীমান্ত ঘেষা গোরকমণ্ডল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বাবা- মায়ের একমাত্র সন্তান আপন মিয়া নিজ ঘরের আড়ের সাথে রশিতে ঝুলে গলায় ফাঁস দিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করে বলে তার পরিবার ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
আপন মিয়া উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরকমণ্ডল গ্রামের আইনুল ইসলামের ছেলে। সে একই উপজেলার গোরক মণ্ডল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আরও পড়ুন : প্রবাসীর ব্যাংক হিসাব থেকে ১৩ লাখ টাকা উধাও!
নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুসাব্বের আলী মুসা ও গোরকমণ্ডল ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন নিহত ছাত্রের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, এক সপ্তাহ আগে মোবাইল ফোন কেনার বায়না করে আপন। কিন্তু সে শিশু হওয়ায় এবং তার অটো চালক বাবার মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার সামথ্য না থাকায় বাবা কয়েকদিন পরে মোবাইল কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু মোবাইল কিনে দিতে বিলম্ব হতে থাকায় অভিমান করে রবিবার সন্ধ্যায় সে নিজ ঘরের আড়ে ফাঁস ঝুলিয়ে আত্মহত্যা করে। একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে শোকের পাথর হয়ে গেছেন বাবা-মা।
ফুলবাড়ী থানার ওসি রাজীব কুমার রায় জানান, আপন ফাঁসিতে ঝুলে থাকতে দেখে তার মা তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়েছেন। কিন্তু তার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যাই মনে হচ্ছে। এ ব্যাপারে রাতেই একটি অপমৃত্যু মামলার হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআরএম
