প্রতিবছর শীত মৌসুমে চলনবিল অঞ্চলে স্থানীয় ও বহিরাগত মৌচাষীরা সরিষা ক্ষেতে মৌমাছি খামার বসিয়ে মৌচাষের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ মধু সংগ্রহ করে থাকেন। চাষীদের ধারণা চলতি বছর এ অঞ্চল থেকে কমপক্ষে ২০ কোটি টাকার মধু সংগ্রহ হবে। তবে সুষ্ঠু বাজারজাতকরণের অভাবে ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে চলনবিলের ৯ উপজেলায় প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সরিষার আবাদ হয়েছে। কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, পাবনা, বগুড়া, যশোর, নাটোর ও সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাড়ে পাঁচ শতাধিক মৌচাষী চলনবিল অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে মধু উৎপাদন ও সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আরও পড়ুন: ঘোড়াঘাটে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প
মৌচাষী রাকিবুল হাসান, সোহেল রানা, কোরবান মিঞাসহ অনেকে জানান, প্রতি একশ মৌবাক্সে সপ্তাহে চার থেকে সাড়ে চার মণের মতো মধু সংগ্রহ করে থাকেন। তবে সুষ্ঠু বাজারজাতকরণ বড় সমস্যা।
তারা আরও বলেন, মধ্যসত্বভোগীদের মাধ্যমে সাধারণত বেসরকারি কোম্পানিগুলো মধু কিনে থাকে। সরাসরি সরবরাহ করা গেলে তারা লাভবান হতেন। এ বছর প্রতি কেজি মধু বিক্রি করছেন দুইশ থেকে আড়াইশ টাকায়। অথচ প্রক্রিয়াজাত এক কেজি মধু দোকানে বিক্রি হয় সাড়ে ছয়শ থেকে সাতশ টাকায়।
এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. হাবিবুল হক বলেন, সরকারিভাবে মধু ক্রয় করা গেলে মৌচাষীরা ন্যায্য দাম পেতেন।
ইত্তেফাক/এসি
