স্কুলের নির্বাচনে

আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৭:৩৭

তানভীর আহাম্মেদ

 

ক্লাসের ইলেকশন ছিল। শ্রেণির নেতা নির্বাচন। মোট ৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী। এরমধ্যে ২৫ জন মেয়ে ছিল। প্রার্থী ৩ জন। ভাবলাম মেয়েদের ভোটগুলো রাখতে পারলে আমার জয় নিশ্চিত। কারণ ছেলেদের ওপর বিশ্বাস নেই। খেয়েদেয়ে ফুট!

স্কুলের পাশে একটা টংয়ে ২ টাকা দামের কী এক জানি মজার আচার ছিল। ক্লাসের মেয়েরা দেখতাম প্রতিদিনই হুমড়ি খেয়ে পড়ত। আমি ইশতেহার দিলাম, মেয়েরা আমাকে ভোট দিলে পাস করার পর সবাইকে সপ্তহে পাঁচদিন ফ্রিতে ওই আচার কিনে দেব।

মেয়েরা রাজি হলো না। তারা পাঁচদিন চায় না। নির্বাচনের আগে তিনদিন খাওয়ালেই হবে। আমি ভাবলাম ৫ থেকে ৩-ই তো ভালো। খাওয়ালাম।

ফলাফল আমার ভোট সংখ্যা ৭। অতঃপর আমি ফেল। ছেলেরা কি হারামি মেয়েরা তো দেখি আরও বড়টা।

খালি সেই ছয়জন ভোটদাতাকে পেলে হতো। প্রতিদিন আচার খাওয়াতাম কিন্তু এখন আর এই ঘোষণা দেওয়া যাবে না। জানি সেই ২৫ জন আবার ৬ জন হয়ে যাওয়ার আগ্রহ দেখাবে।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়