স্বপন শর্মা
পাউডার নির্বাচিত
দেশের সর্বত্র বিজ্ঞাপন ঝুলছে—আসন্ন নির্বাচনে আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন। কিন্তু পাউডার কোম্পানি তার বিজ্ঞাপনে লিখেছে—আপনি যদি ভালো ও পরিচ্ছন্ন থাকতে চান, তবে ‘শর্মা ডিটারজেন’কে ভোট দিন। এ বিজ্ঞাপনে ভোটার বিভ্রান্ত। ঠিক এরকম ঘটেছিল ১৯৬৭ সালে ইকুয়েডরে। সেখানকার অধিবাসীরা একটি বিশেষ ব্র্যান্ডের ফুট পাউডার বা পায়ে লাগানোর পাউডারকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল।
বন্ধুর স্বার্থে ভোটে দাঁড়িয়ে উল্টো নির্বাচিত
ফ্যাবিও বোরসাত্তি, ইতালির একটি ছোট গ্রামে থাকতেন। রাজনীতিবিমুখ তিনি। তার এক বন্ধু স্থানীয় নির্বাচনে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে দাঁড়ান। কিন্তু একজন প্রার্থী থাকায় নির্বাচন বাতিলের আশঙ্কা দেখা দেয়। তখন ফ্যাবিওর বন্ধু তাকে বলেন নির্বাচনে দাঁড়াতে। ফ্যাবিও কিছুতেই রাজি হচ্ছিলেন না। কিন্তু নির্বাচন বাঁচানোর জন্য এবং বন্ধুকে নির্বাচিত হতে সাহায্য করার জন্য অবশেষে তিনি নির্বাচনে দাঁড়ান। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। নির্বাচনে দেখা যায়, বন্ধুকে হারিয়ে তিনি নিজেই ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
মৃত্যু থামাতে পারেনি বিজয়
২০০৯ সাল। ক্যালিফোর্নিয়ার সিনেট নির্বাচন। ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন জেরি ওরোপেজা। নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে তার মৃত্যু হয়। ব্যালটে তার নাম ও প্রতীক থাকায় ভোটাররা মৃত জেনেও তাকেই ভোট দেয়। আর তাতেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হন জেরি।
মানুষ নয়, বিড়াল মেয়র
বিশ্বাস করতে পারছেন না, বিড়াল আবার কী করে মেয়র হয়? হ্যাঁ, ঘটনাটা ঘটে আলাস্কার টালকিটনা শহরে। এই শহরে গত ১৫ বছর ধরে মেয়র হয়ে আছে একটি বিড়াল। বিড়ালটির নাম স্টাবস। শহরের মানুষ এই বিড়ালের পক্ষে প্রচারণা চালায় নির্বাচন এলে। অধিবাসীদের দাবি, মানুষের চেয়ে বিড়াল জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভালো। কারণ সে অযথা কর আরোপ করে না। ব্যবসা-বাণিজ্যে হস্তক্ষেপ করে না। সে সত্। প্রতিদিন ৪০ জনের মতো লোক স্টাবসের সঙ্গে সাক্ষাত করতে আসেন। এমন কি হতে পারে? বিশ্বাস না হলে এবং বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন। চাপাবাজ ডটকম-এ।
উলিপুর, কুড়িগ্রাম
