/ সত্যজিত্ বিশ্বাস
কে কী হতে চাও?
শিক্ষক :তোমরা তো একদিন বড়ো হবে, বিয়ে করবে। তা, কে কী হয়ে বিয়ে করতে চাও?
তারেক :স্যার, আমি আগে ডাক্তার হব। তারপর বিয়ে করব।
সুমন :আমি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিয়ে করব।
শিমুল :আমি বিজনেস ম্যাগনেট হব। তারপর বিয়ে করব।
তাজুল :আমি বিসিএস দিয়ে সরকারি চাকরি পেয়ে বিয়ে করব।
শিক্ষক :কী ব্যাপার ফারজানা, তুমি কিছু বলছ না যে?
ফারজানা :স্যার, আমাকে কিছু হতে হবে কেন? আমি কি যথেষ্ট সুন্দরী না?
একদিন ফোনে
দুই বন্ধু বিয়ে করেছে দুই শহরে। বিয়ের পর নতুন বউ নিয়ে মোবাইলে কথা হচ্ছে তাদের মধ্যে।
প্রথম বন্ধু :তোর বউ কেমন হয়েছে রে?
দ্বিতীয় বন্ধু :পুরাই হুরপরি। তোর বউয়ের কী খবর?
প্রথম বন্ধু :আমার বউ এখনো বাঁইচ্যা আছে রে।
সোজা প্রশ্ন, সোজা উত্তর-১
প্রশ্ন :বড়ো দার্শনিক হতে চাইলে কী পাস করতে হবে?
উত্তর :বিয়ে।
সোজা প্রশ্ন, সোজা উত্তর-২
প্রশ্ন :মানুষ বিয়ে করে কেন?
উত্তর :ঘরে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে।
সমব্যথী
দুই বন্ধু সুন্দরবনে গিয়েছে। হঠাত্ এক বাঘ খেলুম বলে এসে সামনে দাঁড়াল।
বাঘ :আমার অনুমতি না নিয়ে কেন ঢুকেছিস বনে?
প্রথম বন্ধু :অ্যাডভেঞ্চারের আশায় বনে এসেছিলাম। আমাদের ছেড়ে দাও প্লিজ। এক্ষুনি চলে যাব।
বাঘ :এসেই যখন পড়েছিস, একজনকে তো খাবই খাব। তোরাই ঠিক কর, কাকে খাব?
প্রথম বন্ধু :আমাকে খেয়ো না প্লিজ, আমি এখনো বিয়েই করিনি। ও বিবাহিত, ওকে খাও।
বাঘ এটা শুনে ব্যাচেলার বন্ধুটিকে খেয়ে ফেলল।
দ্বিতীয় বন্ধু :কী ব্যাপার, তুমি আমাকে না খেয়ে ওকে খেলে কেন?
বাঘ :আমার ঘরেও তো বউ আছে রে গাধা। তুই কেন বনে আসছিস, সে কী আমি জানি না?
সত্যি কথা
নববধূ :ওগো, আমাকে ছুঁয়ে সত্যি করে একটা কথা বলবে?
জামাই :কী কথা?
নববধূ :আমাকে বিয়ে করেছ কেন?
জামাই :সন্তানের মুখ থেকে বাবা ডাক শোনার জন্য।
তফাত্
প্রথম বন্ধু :বিয়ের আগে আর বিয়ের পরের তফাত্ কোথায় সবচেয়ে বেশি বোঝা যায় বল তো?
দ্বিতীয় বন্ধু :ফেসবুকে। বিয়ের আগে যেখানে ছবিতে দুইশ লাইক পড়ে, বিয়ের পরে বিশটাও পড়ে না।
খাড়াইছে ক্যাডা রে?
প্রথম বন্ধু :এইবার সিটি ইলেকশনে খাড়াইছে ক্যাডা রে?
দ্বিতীয় বন্ধু :শোওয়া, বসা, ঝিমাইতে থাকা সবাইরেই তো খাড়াইতে দেখলাম।
সিটি নির্বাচন
গিন্নি :কীগো, হঠাত্ ব্যায়াম শুরু করলে যে? বুড়া বয়সে ভীমরতি?
স্বামী :আরে কী যে বলো? নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
গিন্নি :তুমি ইলেকশনে নামছ নাকি? তোমার আবার প্রস্তুতি কীসের?
স্বামী :ইলেকশনে না নামলেও রাস্তায় তো নামতে হবে, নাকি? কখন যে কী শুরু হয়ে যায়, দৌড়-ঝাঁপের প্র্যাকটিস না থাকলে বাড়ি ফিরতে পারব?
আমার মামা সব জানে
ভাগ্নে :আচ্ছা মামা, ইলেকশন কেন শীতকালে হয়?
মামা :ক্যান্ডিডেটদের কাছ থেকে মাগনা চা, সিগারেট খেয়ে ঠান্ডা মাথায় ভোট দেওয়ার জন্য।
ভাগ্নে :স্কুুলের ছাত্র-ছাত্রীদের কেন ভোটাধিকার দেওয়া হয় না?
মামা :চান্স পেলেই রাস্তায় নেমে ওরা যে শিক্ষা দেয় বড়োদের, সেই লজ্জা না পেতে।
ভাগ্নে :‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব’ স্লোগান এটা না হয়ে ‘আমার ভোট আমি দেব, যে যোগ্য তাকে দেব’ হওয়া উচিত ছিল না?
মামা :তাহলে অযোগ্যদের কী হবে?
তাও তো আশা থাকত
প্রেমিকা :বাবা, আমার জন্য পাত্র দেখছে। বাবার কাছে কবে যাবে?
প্রেমিক :একটা চাকরির চেষ্টায় আছি। ঐটা হয়ে গেলেই যাব।
প্রেমিকা :কী বললে, চাকরি? তার থেকে যদি বলতে চাঁদ থেকে ঘুরে আসার পর যাবে বললে তাও একটা আশা থাকত।
বিয়ে মানে ভালোবাসার অপমৃত্যু
প্রেমিক :তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসি, সোনা।
প্রেমিকা :তাহলে চলো বিয়েটা করে ফেলি।
প্রেমিক :কেন? ভালোবাসার অপমৃত্যু কি ঘটাতেই হবে?
সত্য বাণী
v ছেলেরা সংসারে বউ আনার জন্য টাকা, বাড়ি, গাড়ি কতকিছুই না করে। অথচ সংসারে বউ এসে গেলে সন্ন্যাসী হয়ে যাওয়ার জন্য পাগল হয়ে ওঠে।
v বই কিংবা বউ কভার দেখে বোঝার উপায় নেই ভেতরটা কেমন।
v হাসলে মুখের ৩৬টা পেশির ব্যায়াম হয় আর কাঁদলে ১৮টা পেশির ব্যায়াম হয়। বিয়ের পর কী করবেন, নিজেই সিদ্ধান্ত নিন।
v বই হোক আর বউ হোক, সূত্র একটাই, যতই পড়িবে ততই জানিবে।
বাগধারা শিক্ষা
শিক্ষক :‘আকাশ কুসুম’ দিয়ে একটা বাক্য রচনা করো তো।
ছাত্র :বিয়ে হলো ভালোবাসার বন্ধন।
শিক্ষক :তো? এরমধ্যে ‘আকাশ কুসুম’ কোথায়?
ছাত্র :কী যে বলেন স্যার, পুরো ব্যাপারটাই তো আকাশ কুসুম। আর আপনি খুঁজে পাচ্ছেন না!
মাত্র একটা কথা
প্রথম বন্ধু :কীরে মন খারাপ করে আছিস কেন?
দ্বিতীয় বন্ধু :ধুর, আর ভালো লাগে না। ঘরে ঢুকলেই বউ ঝগড়া শুরু করে। সেই ঝগড়া চলতে থাকে, চলতেই থাকে। একটু শান্তিতে থাকার উপায় নেই।
প্রথম বন্ধু :তাই নাকি?
দ্বিতীয় বন্ধু :হুম। কেন, তোর সাথে তোর বউ এমন করে না?
প্রথম বন্ধু :আমার সাথে বউ যখন ঝগড়া শুরু করে, তখন একটা কথা বলি, ওমনি বউ চুপ।
দ্বিতীয় বন্ধু :ও মা, তাই নাকি! তা, কী বলিস রে?
প্রথম বন্ধু :হাত জোড় করে বলি, আমাকে এবারের মতো ক্ষমা করে দাও, আর কখনো এমন হবে না।
