মাহমুদউল্লাহ
অপরিণামদর্শী
এই তো সেদিন কবিকে কন প্রিয়জন এক পড়শি,
কবি ভায়া আপনি মানুষ খুব অপরিণামদর্শী।
তদবিরে পায় পুরস্কার আর অনুগ্রহের অর্থ,
নতজানু থাকতে হবে—এটাই কেবল শর্ত।
গোঁ ধরা নয়, পোঁ ধরারা পাচ্ছে মালা অদ্য,
আপনি কেন লিখতে গেলেন অসংগতির পদ্য?
মূল্যবোধ
কিছু কিছু লোকের আছে নিন্দা করার স্বভাব,
তাঁরা বলেন, দেশে আছে মূল্যবোধের অভাব।
মূল্যবোধটা আছে বলেই দ্রব্যমূল্য বাড়ে,
এই কথাটা ছেলে বুড়ো সবাই বুঝতে পারে।
এত কিছু জেনেও হায় নিন্দুকেরা কয়,
ঘটছে দেশে মূল্যবোধের দারুণ অবক্ষয়।
দলীয়করণ
দলীয়করণ গ্রাস করেছে প্রজ্ঞা-মনুষ্যত্ব,
পণ্ডিতও আজ জ্ঞান হারিয়ে লুট-তরাজে মত্ত।
লোকে জানে দলীয়করণ কেমনতর জিনিস,
খায় প্রশাসন-বিচার-বিবেক, দেশটা করে ফিনিশ।
মুখোশধারী সাহিত্যকে করে যাচ্ছে সিন্ডিকেট,
দুর্জন ওরা—কর্ম ওদের এটাই করে ইন্ডিকেট।
পরিবেশের কথা
আজারবাইজানে হাজার ভাইজান ভেঙে নীরবতা,
বলে গেলেন জলবায়ু আর পরিবেশের কথা।
জলবায়ু আজ বৈরী হলো, বিরান সবুজ মাঠ,
সম্মেলনে কেউ বা করেন গরুর ‘এছে’ পাঠ।
যেখানে কল-কারখানা হয় বন-বনানীর কাছে
সম্মেলনটা করার তবে কী প্রয়োজন আছে?
