ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আর মাত্র চার দিন বাকি। তাই পুরোদমে প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। চষে বেড়াচ্ছেন সড়ক থেকে পাড়া-মহল্লার অলি-গলি। রাতদিন প্রচার-প্রচারণা আর গণসংযোগে ব্যস্ত আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গত প্রায় এক দশকের উন্নয়ন পরিক্রমা এবং ভবিষ্যত্ পরিকল্পনার বার্তা জানিয়ে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন তারা।
দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার তাপস গতকাল সোমবার দুপুরে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার মোড়ের ইসলামী মার্কেটের সামনে প্রচারণা শুরু করেন। এ সময় তিনি বলেন, পরাজয়ের ভয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। নৌকার গণজোয়ার দেখে নির্বাচনে ধানের শীষের ভরাডুবির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ইশরাক হোসেন। আমরা যেখানে যাচ্ছি ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাচ্ছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইভিএম ভোট দেওয়ার আধুনিক পদ্ধতি, এ নিয়ে ঢাকাবাসীর কোনো শঙ্কা নেই। গণসংযোগে ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদসহ স্থানীয় ও নগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সর্মথকরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম গতকাল উত্তরা-৭ নম্বর সেক্টরের মাসকট প্লাজা থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। এ সময় আতিকুল বলেন, মেয়র নির্বাচিত হলে প্রতি মাসে প্রতি ওয়ার্ডে তিনি জনগণের মুখোমুখি হবেন। তিনি বলেন, মুখোমুখি হয়ে তাদের কথা শুনব, অভিযোগ জানব এবং প্রশ্নের উত্তর দেব। যার মাধ্যমে সিটি করপোরেশন, মেয়র এবং কাউন্সিলররা জবাবদিহিতার আওতায় আসবে। সবার অংশগ্রহণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পরিকল্পনা জানিয়ে আতিকুল বলেন, সেই আন্দোলন হবে মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন। মাদকমুক্ত শহর গড়ার লক্ষ্যে সবাই মিলে কাজ করব। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের কাছে যেতে হবে, উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে নৌকা মার্কার পক্ষে ভোট চাইতে হবে। আর গণসংযোগের সময় জনগণের ভোগান্তি যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এসময় তিনি যত বেশি লোক ভোট দিতে আসবে, তত বেশি ভোট নৌকায় পড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
