মনেপ্রাণে তার সংগীত

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:৫২

সুরেলা কণ্ঠ ও সুন্দর গায়কী দিয়ে নিজের আলাদা একটি অবস্থান তৈরি করেছেন জিনিয়া জাফরিন লুইপা। ২০১০ সালে ‘চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’-এ চতুর্থ স্থান অধিকার করেন। এরপর একটু একটু করে এই প্রজন্মের একজন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীতে নিজেকে পরিণত করেছেন। ছোটবেলা থেকেই সংগীত নিয়ে তার অধ্যবসায় শুরু। যে কারণে ‘সেরাকণ্ঠ’-এর প্লাটফর্মে চ্যাম্পিয়ন না হলেও লুইপা মেধা, সুরেলা কণ্ঠ আর অনবদ্য গায়কীর কারণে শ্রোতা-দর্শকরাও তাকে নিয়ে ভাবেন, খ্যাতিমান সংগীত পরিচালকরা তাকে নিয়ে কাজ করতে চান। দেখতে দেখতে সংগীতে পেশাগতভাবে পথচলার এক দশকে পা রেখেছেন লুইপা। নিজের বর্তমান অবস্থান নিয়ে দারুণ সন্তুষ্ট তিনি। লুইপা তার পেশাগত জীবন, ব্যক্তিজীবন দুদিকেই পরিপূর্ণ একজন মানুষ। তার স্বামী আলমগীর হোসেন এই দেশের একজন খ্যাতিমান যন্ত্রসংগীতশিল্পী। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান পায়রা, যাকে সংস্কৃতি অঙ্গনের সবাই একনামে চেনে। লুইপা তার সংগীতজীবনের সাফল্যের এক দশকে পদার্পণ উপলক্ষে বলেন, ‘প্রথমে আসলে নিজের জন্য, আমার বাবার জন্য গান করতাম। পরে সেরাকণ্ঠের মধ্যদিয়ে পেশাগতভাবে সংগীতে আমার পথচলা শুরু। প্রায় এক দশকে অনেক গুণী ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যে এসেছি, অনেক কিছু শিখেছি। বিশেষত চ্যানেল আই পরিবার, শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাডাম, সাবিনা ইয়াসমিন ম্যাডাম, ইমন সাহা দাদার কাছে শুরুতেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ তারা শুরুতেই আমাকে এতদূর আসতে পারার জন্য প্লাটফর্মটি তৈরি করে দিয়েছেন। তখন থেকে আজ পর্যন্ত অনেককেই পাশে পেয়েছি, অনেক বরেণ্য সংগীতশিল্পীর সঙ্গে গান গাওয়ার সুযোগ পেয়েছি, অনেক স্বনামধন্য গীতিকবি, সুরকার, সংগীত পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। যারা আমাকে যোগ্য মনে করে আমাকে তাদের কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন, তাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা জানাই।’