ঢাকর রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রাবেয়া আক্তার দেশের সীমানা ছাড়িয়ে প্রতিবেশী ভারতেও সুখ্যাতি কুড়িয়েছেন। তার সুমধুর কণ্ঠ ভারতের ত্রিপুরাজুড়ে সংগীতপিপাসুদের মন কেড়েছে, জনপ্রিয় হয়েও উঠেছেন। পেয়েছেন অনেক সম্মাননাও। ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমায় একাধিকবার সংগীতানুষ্ঠানে গান গেয়েছেন রাবেয়া আক্তার। এছাড়া আগরতলা, সোনামুড়া, ধর্মনগর, আসামের শিলছড় প্রভৃতি স্থানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন তিনি। সর্বশেষ গত ১০ ও ১১ জানুয়ারি আগরতলায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (নিট) এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। শিল্পী রাবেয়া জানান, ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ত্রিপুরার আগরতলায় একটি সংগঠনের আমন্ত্রণে তিনি রবীন্দ্র সম্মেলনে যোগ দিতে প্রথম ত্রিপুরায় যান। পরবর্তীতে ত্রিপুরার ধর্মনগরে লার্নারস এডভোকেট সোসাইটি ও নাট্যমঞ্চের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ভারত বাংলাদেশ মৈত্রী সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের একমাত্র শিল্পী হিসেবে আমন্ত্রিত হয়ে তিনি সংগীত পরিবেশন করেন। ভ্যানগার্ড ক্লাবের আয়োজনে আসামের শিলচরে বাংলা সাহিত্য সম্মেলন, আগরতলার রোটারি ক্লাব, সোনাইমুড়া মেলা মাঠ, ইন্টারন্যাশনাল লিটল ম্যাগাজিন উত্সব, আগরতলায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (নিট) ও শ্রীনগর সীমান্ত হাটে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ভারতের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রাবেয়া। আগরতলায় গীততীর্থ সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান ও কলকাতার বিজয়গড় সাংস্কৃতিক মঞ্চের আমন্ত্রণে সেখানেও সংগীত পরিবেশন করেন তিনি। ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে একজন গুণী শিল্পী হিসেবে তাকে সম্মাননাও প্রদান করা হয়। প্রতিবেশী দেশের অগণিত ভক্ত-অনুরাগীর ভালোবাসায় সিক্ত এ শিল্পী ডাক গেলেই ছুটে যান ত্রিপুরায়। আগরতলার সাংবাদিক প্রতাপ বণিক বলেন, ‘রাবেয়া আক্তারের মধুর কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত শুনে এখানে তার অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী সৃষ্টি হয়েছে। একজন গুণী শিল্পী হিসেবে তার পরিচিতি ত্রিপুরাজুড়ে।’ এরইমধ্যে তার রবীন্দ্রসংগীতের একাধিক একক অ্যালবাম বের হয়েছে।
