পড়ে গেলেই ৪০ ফুট নিচে!

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ২১:৫৬

বগুড়ার সুখানপুকুর-কদমতলী ভায়া সারিয়াকান্দি সড়কে এলজিইডির আওতাধীন একটি ব্রিজের ওপর দিয়ে পথচারী ও যাত্রীবাহী পরিবহনগুলো ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। পথচারীর একটি অসাবধানতায় ঘটতে পারে প্রাণহানী। গত বন্যার পানির স্রোতের তোড়ে ঐ ব্রিজের পূর্ব পাশে মাটি সরে গিয়ে ৩০/৪০ ফুট গভীর হলেও তা আজও ভরাট করা হয়নি। ফলে যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে অঘটন।

এলাকাবাসী জানান, বগুড়ার সুখানপুকুর-কদমতলী ভায়া সারিয়াকান্দি সড়কটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ঐ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যান, সিএনজি, মাইক্রোবাস যোগে শতশত মানুষ যাতায়াত করে। এছাড়াও স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী ও কৃষক তাদের উত্পাদিত ফসল সড়ক ও রেলপথযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানির জন্য ঐ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। গত বন্যায় সুখানপুকুর বন্দরের পূর্ব পাশে অবস্থিত ব্রিজের পূর্ব পাশের অ্যাপ্রোচের মাটি বন্যার পানির স্রোতের তোড়ে ধসে যায়। ফলে স্থানটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে স্থানীয় কুড়িরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এমএ হাকিম মতিন মাষ্টার, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি টিএম মুসা পেস্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সুখানপুকুর একটি বন্দর এলাকা। প্রতিদিন সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ ঐ পথ দিয়ে জেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন। ঐ পথ দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা। নিভে যেতে পারে পথচারীদের জীবনপ্রদীপ। এ বিষয়ে স্থানীয় নেপালতলী ইউপি চেয়ারম্যান একেএম লতিফুল বারী মিন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবগত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে গাবতলী উপজেলার এলজিইডির প্রকৌশলী রিপন কুমার সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাময়িকভাবে সেখানে বালির বস্তা ফেলা হয়েছে। স্থায়ীভাবে কাজ করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি লেখা হয়েছে।