রংপুর অফিস
রংপুরের গৃহকর্মী সুমির (১৪) লাশ আদালতের নির্দেশে ময়না তদন্তের জন্য শনিবার উত্তোলন করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কাউনিয়া উপজেলার সরাই ইউনিয়নের কাছু নোয়াখালীপাড়ার কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১৭ ডিসেম্বর সুমিকে কাউনিয়া উপজেলার সরাই ইউনিয়নের কাছু নোয়াখালীপাড়া এলাকায় নানাবাড়িতে কবর দেওয়া হয়। সুমির মা মমেনা বেগম বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ১৮ ডিসেম্বর রাতে মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি কাওছার জামান বাবলাসহ চারজনকে আটক করা হয়। রংপুর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দিলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফরিন জাহানের নেতৃত্বে লাশ উত্তোলন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) মুক্তারুল ইসলাম, সরাই ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম, সুমির জানাজার ইমাম মাওলানা ফয়েজ আহম্মেদ, মামা সুমনসহ এলাকাবাসী। মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলাসূত্রে জানা গেছে, কাওছার জামান বাবলার বোন লাবণী আক্তার স্বামীসহ নগরীর মুন্সিপাড়ায় বসবাস করেন। সুমি ওই বাড়িতে গৃহপরিচারিকা ছিল। গত ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ওই বাড়িতে সুমি আক্তারকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ উঠে।
