নিজের স্ত্রীকে খুন করার পর পুলিশের কাছে ‘ধর্ষণের পর হত্যার’ অভিযোগ করেছে এক ব্যক্তি। গত মঙ্গলবার রাতে নগরীর বায়েজিদ থানার বাংলাবাজার গুলশান সোসাইটির একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মহিলার নাম বিবি ফাতেমা ওরফে লিপি আক্তার। স্বামী মো. কামরুজ্জামানের কাছে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ লিপি আক্তারের লাশ উদ্ধার করে। পরে ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় লিপির বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।
বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রিটন সরকার বলেন, দাম্পত্য কলহের জের ধরে নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মাথায় পুতা দিয়ে আঘাত করে খুন করেন কামরুজ্জামান। এরপর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন কেউ তার স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে পালিয়ে গেছে। অভিযোগ বিশ্বাসযোগ্য করতে স্ত্রীর মরদেহ নগ্ন করে রেখেছিলেন তিনি। তবে পুলিশের তদন্তে ধরা পড়ে হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন কামরুজ্জামান।
কামরুজ্জামান পুলিশকে জানান, তিনি আগে ওমানে থাকতেন। চার বছর আগে লিপিকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। ওমানে ভালো কিছু করতে না পেরে বছরখানেক আগে দেশে চলে আসেন এবং চট্টগ্রামে এসে দিনমজুরের কাজ শুরু করেন।
