চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানাপাড়ায় তিনটি কুকুরছানাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনায় শহরজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে তীব্র সমালোচনার ঝড়। এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন আলী, পশুসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহিল কাফি ও থানার পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার বিকালে ‘পিপল ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’ এর পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন আলী ইত্তেফাককে জানান, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কুকুরছানা হত্যার সত্যতা পেয়েছি।
এখন বিষয়টি আইনেরগতিতে চলবে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহিল কাফি জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কুকুর হত্যার সত্যতা পাওয়া গেছে। থানায় মামলা নেওয়ার জন্য প্রতিবেদন দাখিল করেছি। থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। এ ব্যাপারে আদালতে একটি প্রসিগেশন পাঠানো হবে। কুকুরছানা হত্যাকারী রূপক মিয়া জানান, রাতে মা কুকুর তার ছানাদের নিয়ে ঘেউ ঘেউ শব্দ করে ডাকে। এতে বিরক্ত হয়ে তিনি কুকুরছানা তিনটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছেন। জানা গেছে, গত ২২ জানুয়ারি কুকুর তিনটিকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
