প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পে (এলডিডিপি) আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে লাইভ স্টক ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগপত্র ও ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাত্ করেছে কৃষ্ণা সিকিউরিটি সার্ভিসেস নামে একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের প্রতারণার বিরুদ্ধে ও নিয়োগপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার দাবিতে গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়ার রাসেল, যশোরের মশিউর, মানিকগঞ্জের আক্তারসহ অনেকে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ঐ প্রকল্পে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে লাইভ স্টক ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট পদে ৯৩০ জন কর্মী নিয়োগের জন্য কৃষ্ণা সিকিউরিটি সার্ভিসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানটি বেকার যুবকদের কাছ হতে ১ থেকে ২ লাখ টাকা নিয়ে নিয়োগপত্র দেয়। পাশাপাশি তারা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে এবং সারা দেশে দালাল নিয়োগ করে বিপুলসংখ্যক বেকার যুবককে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।
তারা আরো বলেন, প্যাডে নামমাত্র নিয়োগপত্র দেন কৃষ্ণা সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এল কে রায় ওরফে সুমন। তিনি কিছু নিয়োগপত্রে কোথায় যোগদান করতে হবে সেই ঠিকানাও সঠিকভাবে দেননি। যাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গেলে ঐ দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি কোনো নির্দেশনা ছাড়া যোগদান সম্ভব নয়। এভাবে প্রতারণার শিকার হয়ে তারা আদালতে রিট মামলা করেন। যাদের নিয়োগপত্র সঠিক তাদের নিয়োগ দিতে আদালত নির্দেশ দেয়। তারপরও তারা কোনো প্রতিকার পাননি। ভুক্তভোগীরা এই চক্রের সঙ্গে দায়ী প্রকল্প কর্মকর্তা সোহাগ, ডা. জহিরুল ইসলাম, ডা. দীপ্ত ও ডা. রাব্বানীসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। পাশাপাশি যাদের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে তাদের নিয়োগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
