টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদন

রাজউক ও দুর্নীতি এখন সমার্থক শব্দ

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ২৩:২৩

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, রাজউক আর দুর্নীতি এখন যেন সমার্থক শব্দ। রাজউকের বিভিন্ন কার্যক্রমে এবং উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ হয়েছে। এসব দুর্নীতির ক্ষেত্রে রাজউক কর্মকর্তাদের একাংশ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রভাবশালী রাজনীতিকদের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আঁতাত স্পষ্ট। এছাড়া রাজউক উন্নয়নমূলক কাজে অধিক গুরুত্বারোপ করায় এবং আবাসন ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মাধ্যমে মুনাফা অর্জনকে প্রাধান্য দেওয়ায় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণমূলক কার্যক্রম উপেক্ষিত থাকছে। এমতাবস্থায় রাজউকে দুর্নীতি কমাতে ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় পৃথক কার্যকর নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠাসহ ১৪ দফা সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। টিআইবির ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) :সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এক গবেষণা             প্রতিবেদনে এসব তথ্য ও সুপারিশ উঠে এসেছে।

গতকাল বুধবার টিআইবির ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী ব্যবস্থাপনার উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ও সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার আবু সাঈদ জুয়েল মিয়া। গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন গবেষণা ও পলিসি বিভাগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফারহানা রহমান এবং ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফাতেমা আফরোজ। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজউকের ছাড়পত্র ও নকশা অনুমোদনে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাজউক কর্মকর্তা, দালাল ও সেবাগ্রহীতার মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আঁতাতের মাধ্যমে চুক্তি করে নির্দিষ্ট হারে নিয়মবহির্ভূত অর্থ নেওয়া হয়। জরিপের সময়ও চুক্তিভিত্তিক নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।