যশোরে আনসার সদস্য হোসেন আলী হত্যা মামলার প্রধান আসামি জুয়েল ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর চারটার দিকে সদর উপজেলার হাশিমপুরের মধ্যপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসীদের একটি পিস্তল, একটি ওয়ান শ্যুটারগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। নিহত জুয়েলের নামে ছয়টি হত্যাসহ অন্তত ১৬টি মামলা রয়েছে।
যশোর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয় পলাতক আসামি জুয়েলকে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাকে সঙ্গে নিয়ে হোসেন আলী হত্যা মামলার অপর আসামি মুন্নাকে আটকের জন্য বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে অভিযানে বের হয় ডিবি পুলিশ। রাত সাড়ে তিনটার দিকে হাশিমপুর মধ্যপাড়ায় পৌঁছালে মুন্না ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পালটা গুলি ছোড়ে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন জুয়েল। তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন।
সাবেক চরমপন্থি হোসেন আলী ১৯৯৭ সালে আত্মসমর্পণ করে আনসারের বিশেষ সদস্য হিসেবে চাকরি পেয়েছিলেন।
গোয়েন্দা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, জুয়েল চরমপন্থি দলের তরুণ নেতা। অস্ত্র বেচাকেনা নিয়ে দ্বন্দ্বে হাশিমপুর বাজারের আনসার সদস্য হোসেন আলীর বুকে ওয়ান শ্যুটারগান ঠেকিয়ে গুলি করে ক্যাডার বাহিনীর প্রধান জুয়েল।
