গোপালগঞ্জে মুখোশ পরে দুই মন্দিরে আগুন

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:৩৪

গোপালগঞ্জে রাতের আঁধারে দুটি মন্দিরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে গেছে মন্দির দুইটির চারটি প্রতিমা। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাজুলিয়া ইউনিয়নের বাজুনিয়া ছোটখোলা সার্বজনীন কালি মন্দিরে এই আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। অপরদিকে গত বুধবার (২৯) জানুয়ারি সন্ধ্যায় কাজুলিয়া পল্লী মঙ্গল স্কুল এন্ড কলেজের অস্থায়ী সরস্বতী মন্দিরে একই কায়দায় আগুন দেওয়া হয়। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে দুর্বৃত্তরা ঘটনার সময় মুখোশ পড়ে ছিল। ঘটনাস্থল থেকে কেরোসিনের বোতল ও দিয়াশলাই উদ্ধারসহ অপরাধী সনাক্তে মাঠে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা।

প্রত্যক্ষদর্শী সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের বরাত দিয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি বিধান চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, শুক্রবার রাত পৌনে ৮টা থেকে ৮টার দিকে দুজন দুষ্কৃতকারী গ্রিল দিয়ে মন্দিরের মধ্যে কিছু একটা ছুঁড়ে মারে। পরে ভয়ে সে বাড়ি চলে যায়। এরপর সুরেশ আরিন্দা নামে এক ব্যক্তি মন্দিরে প্রণাম করতে এসে আগুন দেখতে পান। তার চিৎকারে গ্রামবাসী ছুটে এসে আগুন নিভিয়ে ফেলে। এতে কালী, রক্ষাচণ্ডি, শীতলা ও শিব মূর্তির কাপড়, অলঙ্কার পুড়ে গেছে। খবর পেয়ে প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

কাজুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাখন লাল দাস বলেন, আমরা এখানে শান্তি ও সম্প্রীতির মধ্যে বসবাস করছি। একটি দুষ্কৃতিকারী গোষ্ঠী পরপর দুই মন্দিরে একই কায়দায় আগুন দিয়ে এলাকাটি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা  করছে।

আরও পড়ুন: চীন থেকে ফিরে ৮ জন হাসপাতালে, বাকিরা হজক্যাম্পে

গোপালগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. আসলাম খান বলেন, ওই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মাঠে নেমে তদন্ত শুরু করেছে। কাজুলিয়া স্কুলের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পেয়েছি। সেখানে দুষ্কৃতকারীরা মুখোশ পড়া ছিলো। তারপরও আমরা দ্রুত রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হবো।

ইত্তেফাক/এসি