/ নীরব চন্দন
ইন্টারভিউ বোর্ডে
প্রশ্নকর্তা :আপনি তো লিফট অপারেটর পদে আবেদন করেছেন?
চাকরিপ্রার্থী :জি স্যার।
প্রশ্নকর্তা :লিফটে তো মাঝে প্রায়ই বিদেশি ভিজিটর চলাফেরা করে। এজন্য তো আপনাকে কিছু হলেও ইংরেজি জানতে হবে। আপনি কি সাধারণ কিছু ইংরেজি জানেন?
চাকরিপ্রার্থী :জি স্যার, জানি।
প্রশ্নকর্তা :তাহলে বলুন তো, ‘করিম স্কুলে যায় না’-এর ইংরেজি কী হবে?
চাকরিপ্রার্থী :(চুপ করে বসে আছে)।
প্রশ্নকর্তা :কী ব্যাপার চুপ করে আছেন কেন? বলুন, ‘করিম স্কুলে যায় না’-এর ইংরেজি কী?
চাকরিপ্রার্থী :স্যার, করিম কেন স্কুলে যায় না, তা করিমের বাবাকে জিজ্ঞস করুন। আমাকে বলছেন কেন?
প্রশ্নকর্তার মাথায় হাত!
অফিসের বস একদিন তার অধস্তন অফিসারকে রুমে ডেকে পাঠালেন
অফিসার :স্যার, ভেতরে আসব?
বস :জি, আসুন।
অফিসার :ধন্যবাদ স্যার।
বস :আপনার বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ আছে।
অফিসার :কী অভিযোগ, স্যার?
বস :আপনি আমাদের একজন সহযোগী কোম্পানির মালিককে ভুয়া মালিক বলেছেন।
অফিসার :না, স্যার। এমন তো হওয়ার কথা নয়।
বস :কিন্তু তিনি তো আপনার বিরুদ্ধে সরাসরি আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। আপনি নাকি টেলিফোনে তাকে ভুয়া মালিক বলে অপমানিত করেছেন?
অফিসার :স্যার, মনে পড়েছে। আসলে ঐ কোম্পানির নাম ‘ভুঁইয়া ইলেকট্রিক কোম্পানি লি.’। আমি টেলিফোনে কোম্পানির মালিককে একটা প্রয়োজনে ফোন দিয়ে বলেছিলাম, ‘আপনি ভুঁইয়া কোম্পানির মালিক বলছেন?’ তিনি হয়তো শুনেছেন ‘ভুয়া কোম্পানির মালিক’।
বস :যাই বলেন না কেন? আপনি কাজটি ঠিক করেননি। যান, ভুয়া কোম্পানি স্যরি, ভুঁইয়া কোম্পানির মালিককে স্যরি বলুন।
