দুঃখ ঘুচল না ফুটবল কন্যাদের
ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা
কলসিন্দুর বলতেই দেশের মানুষের চোখে ভেসে ওঠে কীর্তিমান নারী ফুটবলারদের মুখ। একটি বিদ্যালয় থেকে জাতীয় পর্যায়ে ফুটবল দলে খেলার গৌরব অর্জন করেছে কলসিন্দুরের ১২ জন কিশোরী। এরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। এদেরকে নিয়ে বাংলাদেশ গর্ববোধ করে। এই মেয়েদের দাবিতে কলসিন্দুর এলাকায় অল্প সময়ে ৮০০ বাড়িতে বিদ্যুত্সংযোগ দেওয়া হয়। সম্প্রতি ফুটবল কন্যাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কলসিন্দুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ করা হয়েছে।
কিন্তু বেহাল অবস্থায় রয়ে গেছে কলসিন্দুর ধোবাউড়া ভায়া তারাকান্দা সড়ক। তারাকান্দা থেকে ধোবাউড়া উপজেলার ৩১ কিলোমিটার সড়কের মাঝে ১৫ কিলোমিটার এবং ধোবাউড়া-কলসিন্দুর ৬ কিলোমিটার সড়কের মাঝের ৪ কিলোমিটার মোট ১৯ কিলোমিটার সড়কের বেশির ভাগ খানাখন্দে ভরা। এলজিইডি কর্তৃক নির্মাণাধীন এ সড়কের এমন বেহালদশার কারণে সুসং দুর্গাপুর, ধোবাউড়া, ফুলপুর উপজেলার যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে পরিবহন ভাড়া। সবচেয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রসূতিসহ সাধারণ রোগীরা। কলসিন্দুর-গোয়াতলা সড়কের মেরামতের কাজ শুরু হলেও তা এখন বন্ধ রয়েছে। ধোবাউড়া উপজেলা প্রকৌশলী শাহিনূর ফেরদৌস জানান, কলসিন্দুর থেকে গোয়াতলা পর্যন্ত সড়কের টেন্ডার হয়েছে এবং গোয়াতলা থেকে তারাকান্দা সড়কের সুতারপাড়া থেকে কেন্দুয়া পর্যন্ত সড়ক মেরামতের কাজ টেন্ডারের অপেক্ষায় আছে। কলসিন্দুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও ফুটবল কন্যাদের টিমলিডার মালা রানী সরকার বলেন, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। তিনি আরো বলেন, বর্ষা মৌসুমে সড়কের সিলকোট কার্পেটিং উঠে বড়ো বড়ো গর্ত তৈরি হয়ে মরণফাঁদে পরিণত হয়। সামান্য বৃষ্টি হলে এসব গর্তে হাঁটুপানি জমে যায়।
