বুড়িমারী, দর্শনা ও চাতলাপুর স্থলবন্দর
স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরে করোনা ভাইরাস বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হলেও ভাইরাস শনাক্তের নেই থার্মাল স্ক্যানার। অন্য দিকে স্ক্যানার না থাকায় স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রাথমিক পরীক্ষা করেই ছেড়ে দিচ্ছেন সীমান্ত পারাপারের যাত্রীদের। যানবাহনের চালকদের এ প্রাথমিক পরীক্ষাও করা হচ্ছে না। রংপুরের সিভিল সার্জন হিরম্ব কুমার জানান, করোনা ভাইরাস শরীরের প্রবেশের দুই সপ্তাহ পরে লক্ষণ বা প্রতিক্রিয়া প্রকাশ পায়। ভাইরাস প্রবেশের ১৪ দিন আগে কোনো লক্ষণ বুঝার উপায় নেই। এক্ষেত্রে ভাইরাস শনাক্তে থার্মাল স্ক্যানারে স্ক্যানিংয়ের বিকল্প নেই। বুড়িমারী স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) খন্দকার মাহমুদ বলেন, বুড়িমারী স্থলবন্দরে থার্মাল স্ক্যানার ও শরীর স্ক্রিনিং যন্ত্রপাতি বসানো প্রয়োজন। লালমনিরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কাসেম আলী সাংবাদিকদের জানান, বুড়িমারী ও ভারতের চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর চেকপোস্ট দিয়ে চীনা নাগরিক আসার সম্ভাবনা নেই। যে কারণে সেখানে শরীর স্ক্রিনিং যন্ত্রপাতি বসানো হয়নি। তবে প্রয়োজন হলে অবশ্যই বসানো হবে।
দর্শনায় ভরসা বিপি মাপক যন্ত্র ও স্টেথিস্কোপ
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা চুয়াডাঙ্গার দর্শনা আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর সীমান্তে চেকপোস্টে করোনা ভাইরাস শনাক্তে ও প্রতিরোধে তিন সদস্যের মেডিক্যাল টিম বসানো হয়েছে। তারা সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলে রবিবার টিম সংশ্লিষ্টরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। মেডিক্যাল টিমে দায়িত্ব থাকা দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেেক্সর ডা. তানভীর মো. আসিব মুজতবা জানান, পরীক্ষা ও শনাক্তের কাজ কীভাবে করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিপি মাপক যন্ত্র ও স্টেথিস্কোপ ছাড়া আর কিছু নেই। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান জানান, এ নিয়ে ভাবার কোনো কারণ নেই। এ পথে আসা ভ্রমণকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিক্যাল টিম গঠন করে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
চাতলাপুর চেকপোস্টে মেডিক্যাল টিম
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার চাতলাপুর চেকপোস্টে বসেছে মেডিক্যাল টিম। শুক্রবার সকাল থেকে একজন মেডিক্যাল অফিসারের নেতৃত্বে প্রতিদিন ভারত থেকে আসা যাত্রীদের পরীক্ষা করছে মেডিক্যাল দল। এ সময় বিপি মাপক যন্ত্র ও স্টেথিস্কোপ ছাড়া আর কোন বড়ো চিকিত্সা সরঞ্জাম দেখা যায়নি। মেডিক্যাল দলের প্রধান ডা. নাজনীন সুলতানা বলেন, গত তিন দিনে এ রোগের সন্দেহমূলক কোনো রোগী পাওয়া যায়নি। ভাইরাসের কোনো লক্ষণ পাওয়া গেলে ঐ রোগীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হবে।
