দুই সিটিতে ভোট পড়েছে ২৭.১৫ শতাংশ

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:৪৮

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে এবারে ভোট পড়েছে গড়ে ২৭ দশমিক ১৫ শতাংশ। এরমধ্যে উত্তরে ২৫ দশমিক ৩০ শতাংশ ও দক্ষিণে ২৯ দশমিক ০০২ শতাংশ ভোট পড়েছে। বিগত ২০১৫ সালের নির্বাচনে ঢাকা উত্তর সিটিতে ভোট পড়েছিল ৩৭ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং দক্ষিণ সিটিতে ভোটের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৪০ শতাংশ।

বেসরকারি ফলাফলে দক্ষিণে আওয়ামী লীগের বিজয়ী মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস মোট ১ হাজার ১৫০ কেন্দ্রে ভোট পেয়েছেন ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৫। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইশরাক হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫১২ ভোট। অন্যদিকে উত্তর সিটির আওয়ামী লীগের বিজয়ী মেয়র আতিকুল ইসলাম মোট ১ হাজার ৩১৮টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তাবিথ আউয়াল ধানের শীষ  প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৬১ ভোট।

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম ভোট পড়েছে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, এর কারণ জানতে গবেষণা করতে হবে। সিটি নির্বাচনে সরকারি দলের অনেকেই (আওয়ামী লীগ) ভোট দিতে যাননি বলেও মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব মো. আলমগীর। গতকাল নির্বাচন ভবনে ভোটের ফল নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

উত্তরের অন্যান্য মেয়র প্রার্থীর ফলাফল : বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী আহাম্মদ সাজেদুল হক রুবেল (কাস্তে) পেয়েছেন ১৫ হাজার ১২২, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) শাহীন খান (বাঘ) পেয়েছেন ২ হাজার ১১১, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ (হাতপাখা) পেয়েছেন ২৮ হাজার ২০০ ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী আনিসুর রহমান দেওয়ান (আম) পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৩ ভোট।

দক্ষিণের অন্যান্য মেয়র প্রার্থীর ফলাফল : জাতীয় পার্টি-জাপার হাজী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন মিলন (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৯৩, ইসলামী আন্দোলনের আবদুর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন ২৬ হাজার ৫২৫, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) বাহরানে সুলতান বাহার (আম) পেয়েছেন ৩ হাজার ১৫৫, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আকতার-উজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ (ডাব) পেয়েছেন ২ হাজার ৪২১ এবং গণফ্রন্টের আবদুস সামাদ সুজন (মাছ) পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৮৭ ভোট।