প্রায় আট মাস আগে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গানটি পাই। আমি আর কোনো গান নিয়ে এতটা খুঁতখুঁতে ছিলাম বলে মনে হয় না। এই গানটির মাধ্যমে তিন প্রজন্মের মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে। গানের গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ার এক প্রজন্ম। আমি আর এই গানের সংগীতায়োজক মানাম আহমেদ, সমসাময়িক গানের সুরকার কিশোর দাশ নতুন প্রজন্মের। সুর করার পর মানাম ২২ দিন সময় নিয়েছে গানটির অর্কেস্ট্রেশন করতে। গানে এসরাজ বাজিয়েছেন ভারতের বিখ্যাত মিউজিশিয়ান আরশাদ খান। ঢাকায় এসেছিলেন গানবাংলার উইন্ড অব চেঞ্জের রেকর্ডিংয়ে। তাকে পেয়ে গেলাম। তিনি গানটি সম্পর্কে জেনে বাজালেন বিনা পারিশ্রমিকে। বাঁশি বাজিয়েছেন জালাল। গানটির মিউজিক ভিডিওতেও যুক্ত হয়েছে নতুন প্রজন্ম। তাদের অনুভব করতে বলেছি, বঙ্গবন্ধুর চশমা দিয়ে দেশটি দেখতে বলেছি। তাহলে তারা প্রকৃত বাংলাদেশটি দেখতে পাবে। বঙ্গবন্ধুর চশমা দিয়ে এই দেশটা দেখব।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করা প্রসঙ্গে
সঙ্গীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিত্
