ইত্তেফাক রিপোর্ট
ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ও কোতোয়ালি থানার ওসির প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলনসহ নেতাকর্মীরা। তাদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও অভিযানের নামে বাড়ি থেকে লুট করা ২৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ৬ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার ও দুইটি মোবাইল ফোন ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। গতকাল সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
লিখিত বক্তব্যে সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলনের পিতা আলহাজ সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন জানান, সম্প্রতি ভূমিদস্যু চক্র পুলিশের সঙ্গে যোগসাজশে ১৪ জানুয়ারি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কোতোয়ালি থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ মিলনের ডাকারপট্টির বাসভবন ঘেরাও করে ভেতরে ঢুকে তাকে আটক করে। এ সময় পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারের নামে তাদের সঙ্গে করে নিয়ে আসা একটি ব্যাগ থেকে ১২/১৩টি রামদাসহ ধারাল অস্ত্র বের করে সেগুলো মিলনের বেডরুমে পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন।
পরে দেশীয় অস্ত্র সামনে রেখে মিলনসহ অন্য নেতাকর্মীদের দাঁড় করিয়ে ছবি তোলেন। পুলিশের ঐ দুই কর্মকর্তা মিলনের রুম তল্লাশির নামে ওয়্যারড্রপে থাকা ব্যাবসায়িক কাজের নগদ ২৯ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, পরিবারের সদস্যদের ব্যবহূত সাড়ে ৬ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার ও দুইটি মোবাইল ফোনসেট নিয়ে যায়। সেগুলো জব্দ তালিকায় গোপন করে নিজেরা আত্মসাত্ করেন। এছাড়াও কারাগারে থাকা মিলনের সঙ্গে দেখা করতে ছাত্রলীগ-যুবলীগের যেসব নেতাকর্মীরা যেত তাদেরকে জেলগেট থেকে থানা পুলিশ আটক করে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। নিরপেক্ষ তদন্ত করলেই দু্ই পুলিশ কর্মকর্তার প্রতিহিংসার শিকার ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার আসামি হওয়ার ঘটনাটি প্রকাশ পাবে বলে সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্টদের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানান।
