ঘনিয়ে আসছে পবিত্র রমজান মাস। ফলে অতি চাহিদা সম্পন্ন ভোগ্যপণ্যগুলো ব্যাপক হারে আমদানি হচ্ছে। চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ কেন্দি ক আমদানিকারকরা ছোলা, ডাল জাতীয় পণ্য প্রচুর এলসি করেছে এবং শিপমেন্টও হয়েছে বলে একাধিক আমদানিকারক জানিয়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলের ক্ষতি হওয়ায় বুকিং রেট বেড়ে গেছে। প্রতিটন ছোলা ৫৬০ ডলার থেকে বেড়ে ৭৪০ ডলার, মশুর ডাল ৪৬০ থেকে বেড়ে ৫৯০ ডলার, মটর ২৬০ ডলার থেকে বেড়ে ৩২৫ ডলার হয়েছে। সরকার ভর্তুকি দিয়ে টিসিবির মাধ্যমে পণ্য বিক্রি না করলে রমজানে দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ী। এ দিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি কার্যক্রমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক তপশিলি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে।
আমদানিকারকরা জানান, বর্তমানে আগের কেনা পণ্য বিক্রি হচ্ছে। বর্ধিত মূল্যে কেনা পণ্য এখনো দেশে পৌঁছেনি। আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলাসহ ডাল জাতীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। সরকার যদি ভর্তুকি দিয়ে টিসিবির মাধ্যমে রমজানের ভোগ্যপণ্য বিক্রি করে তা হলে দাম বেশি বাড়ার সম্ভাবনা নেই। বাজার ক্রেতাদের কাছে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। আমদানিকারকরা জানান, শিপমেন্ট করা পণ্য দেশে পৌঁছাতে সময় বেশি লাগছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে শিপমেন্ট করার পর মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন বন্দর ঘুরে পণ্য খালাস করে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে মাস দুয়েক সময় লেগে যায়। এতে আমদানি খরচ বেড়ে যায়। অস্ট্রেলিয়া থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য পৌঁছানো গেলে পণ্যের বাজার মূল্য অনেক কম হতো। ভোগ্যপণ্যের বাজার পাইকারি ও খুচরা দরের মধ্যে ব্যাপক তফাত্। খুচরায় প্রতিটি পণ্যের দাম পাইকারী দরের চেয়ে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি। করোনা ভাইরাসের কারণে চীন থেকে রসুন ও আদা আমদানি কম হচ্ছে।
