স্পোর্টস রিপোর্টার
ফুরিয়ে যাননি প্রমাণ করতে চান জীবন। আজ মাজিয়া স্পোর্টস রিক্রিয়েশনের বিপক্ষে আবাহনীর অধিনায়ক নাবীব নেওয়াজ জীবন নিজেকে নতুন করে মেলে ধরতে চান। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে খেলতে পারেননি পেট খারাপ হওয়ায় অসুস্থ ছিলেন। ঐ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ভালো খেললেও স্ট্রাইকার সংকটে ছিল। স্ট্রাইকার বিহীন সেমিফাইনালে বুরুন্ডির বিপক্ষে ভালো খেলেও হেরেছে ৩ গোলে। হাফডজন গোলের সুযোগ ছিল। তারপরও গোল করতে পারেনি। একজন স্ট্রাইকার থাকলে হয়তো গোল হতেও পারত। ঘরে বসে বুরুন্ডির বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলা টিভির পর্দায় দেখেছে আফসোসে পুড়েছেন জীবন। রাগ-ক্ষোভ অভিমান কণ্ঠে জড়িয়ে বললেন, ‘আমাকে নিয়ে অনেক অনেক কথা হয় বাইরে। তারপরও আমার বিশ্বাস, আমি বলব বুরুন্ডির বিপক্ষে মাঠে থাকলে সুযোগ কাজে লাগাতাম। এভাবে হারতে দিতাম না।’
ফুটবল দর্শকও মনে করেন একজন সত্যিকারের স্ট্রাইকার থাকলে গোল পেতেও পারত। এমন খবর জানেন জীবন। বলছিলেন, ‘আমি সুস্থ হয়ে ফিরেছি। এখন ফিট আছি। আমার লক্ষ্য হচ্ছে আমি গোল করব, ম্যাচ জেতাব। এই দুটো চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামব।’ আজকের ম্যাচের আগে আবাহনী প্রায় এক মাস অনুশীলন করেছে। জীবন জানালেন তারা অনুশীলনের ফাঁকে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি।
বাফুফে ভবনে আবাহনীর সংবাদ সম্মেলনের আগে মালদ্বীপের মাজিয়া ক্লাবের সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক ইরফান জানিয়ে গেছেন তারা বাংলাদেশের ফুটবলারদের চেয়ে এগিয়ে। বিশেষ করে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে মালদ্বীপের খেলোয়াড়রা এগিয়ে। জীবন এসে এমন কথা শুনে পালটা প্রতিক্রিয়ায় বললেন, ‘আমার কাছে মনে হয় না। মালদ্বীপের চেয়ে আমরা এগিয়ে। যদিও ওরা জিতে যায়। তারপরও আমরা এগিয়ে আছি। আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের মন-মানসিকতায়। এ কারণেই আমরা হেরে যাই।’
এএফসি কাপে উত্তর কোরিয়া এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ, নেপালের মানাংমারসিয়াংদী, ভারতের মিনারভা পাঞ্জাবের বিপক্ষে গোল পেলেও মাজিয়ার বিপক্ষে গোল নেই জীবনের। এটাও একটা আফসোস। আজ একসঙ্গে দুটো কাজ করতে চান জীবন। গোল করে ম্যাচ জেতাতে চান, তাতে মাজিয়ার বিপক্ষে গোল করা হলো, সেই সঙ্গে নিজেকেও নতুন করে চেনান হলো। বললেন, প্রিমিয়ার লিগে ১৭ গোল পাওয়া নাবীব নেওয়াজ জীবন।
