বড়দরগাহ-মাদারগঞ্জ সড়ক বেহাল

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৪৪

যান চলাচল ব্যাহত

শাহ্ মো. সাদা মিয়া, পীরগঞ্জ (রংপুর) সংবাদদাতা

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড়দরগাহ-মাদারগঞ্জ থেকে শানেরহাট সড়কটি মেরামত না হওয়ায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন যান চলাচলকারীরা। যত্রতত্র কার্পেটিং উঠে যাওয়ায় যানবাহনকে অতিরিক্ত ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের বড়দরগাহ থেকে পূর্বদিকে শানেরহাট, মাদারগঞ্জ, সাদুল্লাপুর হয়ে গাইবান্ধার সঙ্গে সহজে যোগাযোগের পার্শ্ব সড়ক হিসেবে পরিচিত এটি। পীরগঞ্জ উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের দেড় লক্ষাধিক মানুষের ব্যবহূত প্রধান সড়ক। সড়কের দুদর্শায় দূরের ব্যবসায়ীরা হাটে আসতে অনিহা প্রকাশ করছেন। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে।

ছোটো মির্জাপুরের বাসিন্দা পার্বতীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রোমান ও ফেরদৌসি, সুপ্রভাত কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম মুকুল, শানেরহাটের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্পাদক প্রথম ডাঙ্গার রন্জু ও ধল্লাকান্দির শামিম প্রধান জানান, অনেক কষ্টে ঐ সড়কে চলাফেরা করছি প্রতিনিয়ত, যেন দেখার কেউ নেই। বর্ষার সময় জনমানুষের দুর্দশা বেড়ে যায়।

বাসচালক নুরু মিয়া (৪৫) জানান, গাইবান্ধা থেকে রংপুরে যাওয়ার জন্য মাদারগঞ্জ-বড়দরগাহর দূরত্ব কম হওয়ায় যাত্রীদের ভাড়া কম লাগত। ঐ সড়কে খানাখন্দের কারণে পীরগঞ্জ দিয়ে ২০ কিলোমিটার পথ ঘুরে অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত ঝগড়া বিবাদ হচ্ছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনাও ঘটছে। ঐ পথে যাতায়াতে বাসের যন্ত্রপাতিও নষ্ট হয়। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হলে ভোগান্তি কমে যাবে।

শানেরহাট ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মন্টু জানান, সড়কটি জরুরিভিত্তিতে মেরামত করা প্রয়োজন।

মিঠিপুর ইউপি চেয়ারম্যান এসএম ফারুক আহম্মেদ জানান, উন্নত চিকিত্সায় গাইবান্দা ও সাদুল্লাপুরের আশঙ্কাজনক রোগীকে এ সড়ক দিয়ে কম সময়ের ব্যবধানে রংপুরে পাঠানো যেত। সড়ক বেহালে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। সড়ক মেরামতে দ্রুত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পথ চলাই দায় হয়ে পড়বে জনগণের।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, ঐ সড়কের প্রাক্কলন নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল হক জানান, ইতোমধ্যে আঞ্চলিক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর মাধ্যমে প্রাক্কলন ঢাকায় সদর দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।