বঙ্গবন্ধু বিপিএলের এলিমিনেটর থেকে বিদায় নিয়েছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল ঢাকা প্লাটুন। বাঁ হাতে ১৪ সেলাই নিয়ে শেষ ম্যাচটা খেলেছিলেন মাশরাফি। এরই মধ্যে তার হাতের সেলাই খোলা হয়েছে। ধীরে ধীরে অনুশীলনেও ফিরছেন তিনি। অনেকটা নিভৃতেই নিজেকে প্রস্তুত করছেন ওয়ানডে অধিনায়ক।
গতকাল বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে খুব সকালে মিরপুর স্টেডিয়ামে আসছেন মাশরাফি। খুব বেশি লোকজনের আনাগোনা হওয়ার আগেই আবার স্টেডিয়াম ছেড়ে যাচ্ছেন তিনি। প্রতিদিনই ফিটনেস নিয়ে কাজ করছেন মাশরাফি। এর আগে গত সপ্তাহে হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর সঙ্গে মিটিং করেছিলেন ওয়ানডে অধিনায়ক।
আগামী মাসেই ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। প্রায় ৮ মাস পর ওয়ানডে খেলতে নামবে টাইগাররা। গত বছর বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কার সফরে সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছিল বাংলাদেশ। মাশরাফিকে ছাড়া তামিমের নেতৃত্বে ঐ সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল সফরকারীরা।
লম্বা সময় ওয়ানডে ফরম্যাটের বাইরে ক্রিকেটাররা। ঘরোয়া ক্রিকেটেও নেই কোনো ওয়ানডে ম্যাচ। এমনকি জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগে থাকছে না কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ। তুলনামূলক শক্তিধর দল হলেও হোম সিরিজটা চ্যালেঞ্জিং হবে বাংলাদেশের জন্য।
গতকাল জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেছেন, ‘অবশ্যই, অনেকদিন ধরে আমরা ফিফটি ওভার ম্যাচ খেলছি না এবং ডোমেস্টিকেও না। যেকোনো টেস্ট প্লেয়িং নেশনের জন্যই কিন্তু এটা চ্যালেঞ্জিং হয়।’
প্রধান নির্বাচকের আশা দ্রুতই মানিয়ে নিতে পারবেন ক্রিকেটাররা। মিনহাজুল আবেদীন নান্নু বলেন, ‘এখানে প্লেয়াররা যেহেতু বিপিএল শর্টার ভার্সন ছিল, খেলে গেছে। লংগার ভার্সন খেলছে, আর লংগার ভার্সনটা যদি ভালো খেলে তবে ফিফটি ওভার ম্যাচ খেলতে খুব একটা অসুবিধা হবে না। বিসিএল খেলছে প্লেয়াররা, রানে আছে অনেকগুলো ক্রিকেটার। জাতীয় দল টেস্ট খেলে আসতেছে। আমার মনে হয় যে এ জায়গাটা অনেক তাড়াতাড়িই মানিয়ে নিতে পারবে।’
