করোনা ভাইরাসের ঝুঁকির মুখে রয়েছে মোংলা বন্দর। চীনা নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের নাবিকদের অবাধ যাতায়াত রয়েছে এ বন্দরে। কিন্তু এসব নাবিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় নেই যথাযথ ব্যবস্থা। ফলে বিদেশি জাহাজের পণ্য খালাস বোঝাই কাজ করতে গিয়ে নাবিকদের সংস্পর্শে যাওয়া স্থানীয় শ্রমিকদের মাধ্যমে এ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। তবে ভাইরাসটি প্রতিরোধে বন্দর জেটিতে নেওয়া হয়েছে প্রাথমিক প্রস্তুতি থাকলেও এ প্রস্তুতি যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী ও শিপিং ব্যবসায়ী এইচ এম দুলাল জানান, বন্দরে আসা বিদেশি নাবিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার নিয়ম থাকলে তা করা হয় না। এ প্রসঙ্গে মোংলা পোর্ট হেলথ (স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়) মেডিক্যাল অফিসার সুফিয়া খাতন জানান, তাদের কাছে দুটি লেজার ডিটেক্টেট স্ক্যানার রয়েছে। একটি জেটিতে অপরটি জাহাজে পাঠানো হয়। তবে জনবল সংকট থাকায় বহির্নোঙ্গরে আসা জাহাজে স্বাস্থ্য কর্মীরা পৌঁছাতে পারছে না। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দন জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মানুষের মাধ্যমে ছড়াচ্ছে, পণ্য থেকে নয়। চীনাসহ বিদেশি নাবিক এবং নাবিকদের সংস্পর্শে যাওয়া শ্রমিক কর্মচারীদের বন্দর জেটিতে স্ক্যান করার ব্যবস্থা আছে।
