১৫ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা
ঝিনাইগাতীর সুরিহাড়া,বালিয়াচন্ডী রাস্তার কোনাগাঁও কাটাখালী নদীর ওপর এক যুগেও নির্মাণ হয়নি ব্রিজ। ফলে এ পথে যাতায়াতকারী ১৫ গ্রামের মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দেশ স্বাধীনের পর এলজিইডি এই নদীর ওপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করে। ২০০৮ সালে পাহাড়ি ঢলে পানির তোড়ে ব্রিজটি বিধ্বস্ত হয়। এতে গ্রামগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বিধ্বস্ত ব্রিজের পাশে একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করে শিক্ষার্থীদের পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে মাঝে-মধ্যেই ঘটছে দুর্ঘটনা।
উপজেলার দরিকালিনগর গ্রামের সুরুজ আলী, কাটাখালী গ্রামের আব্দুল আজিজ, মকছেদ আলী, মজিবর রহমান, বিল্লাল হোসেন, সাদা মিয়া, কোনাগাঁও গ্রামের আবুল কালামসহ অনেকেই জানান, ব্রিজটি নির্মাণ না করায় স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পারাপারে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তারা জানান, এ পথে কান্দুলী, বালিয়াচন্ডী, কোচনীপাড়া, জগত্পুর, মালিঝিকান্দা, জড়াকুড়া, পাইকুড়া, দড়িকালীনগর, সারিকালিনগর, সুড়িহাড়া, পাগলারমুখ, সালধা, বেলতৈলসহ প্রায় ১৫টি গ্রামের লোকজন যাতায়াত করেন। কিন্তু ব্রিজ না থাকায় এসব গ্রামবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলাকায় উত্পাদিত কৃষিপণ্য ও গবাদিপশু পারাপারে চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে কৃষকদের। উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম এ ওয়ারেজ নাইম ও ঝিনাইগাতী সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন চাঁন বলেন, এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণের বিষয়ে উপজেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে। আশ্বাসও পাওয়া গেছে। কিন্তু আজও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
উপজেলা প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, তিনি নতুন এসেছেন। তবে ঐ নদীর ওপর ব্রিজ নির্মাণের বিষয়ে প্রকল্প প্রণয়ন করে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে ইতিপূর্বে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ এলেই নির্মাণকাজ করা হবে।
