রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
বাজারমূল্য বেশি থাকায় রৌমারীর ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্বপাড় চরাঞ্চলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
ঘুঘুমারী গ্রামের কৃষক জলিল মোল্লাহ বলেন, আমি তিন একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। এতে একর প্রতি খরচ হয়েছে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। এক একর জমিতে ফলন হবে ৮০-৯০ মণ। বাজারে এক মণ পেঁয়াজের দাম ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা যাবে। এক একর পেঁয়াজ বিক্রি করে লাভ হবে প্রায় ৭০ হাজার টাকা।
সোনাপুর গ্রামের কৃষক লিটন মিয়া জানান, চরের বালু মিশ্রিত জমিতে অন্য ফসলের তুলনায় পেঁয়াজ চাষ ভালো হয়। এবার বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় আমি দুই একর জমিতে চাষ করেছি। সামান্য সেচ দিলে ফলন আরো বেশি ভালো হয়। রাসায়নিক কোনো সারের প্রয়োজন হয় না। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে পাওয়া যায় আশাতীত ফলন। পেঁয়াজ চাষে পরিশ্রম কম ও লাভ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় পেঁয়াজ চাষ চরাঞ্চলে দিন দিন বাড়ছে। এবার চরাঞ্চলে ২০০ বিঘা জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে।
ফুলুয়ারচর গ্রামের ইসমাইল হোসেন ও কুটিরচর গ্রামের ওয়াজেদ আলী বলেন, এবার বাজারে দাম বেশি হওয়ায় চরের অনেক জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি আমরা। সরকার ক্ষুদ্র কৃষকদের সার ও বীজ দিয়ে সহযোগিতা করলে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আনতে হবে না। চরাঞ্চলে হাজার একর জমি পতিত অবস্থায় পড়ে আছে, টাকার অভাবে চাষাবাদ করছেন না কৃষকরা।
