/ আল সানি
জীবনের পরতে পরতে বিভিন্ন সময় আমাদের জীবনে প্রেম আসে। বলা হয়ে থাকে সবার জীবনেই একবার না একবার প্রেম আসবেই। অনেকের জীবনে অবশ্য এই এক-এর পাশে একটা বা দুটো শুন্য বসেছে বলেও শোনা যায়। এমনি ঘটনা শুনেছিলাম একবার এক বড়ো ভাইয়ের প্রাক্তন প্রেমিকারা চাইলে নাকি একটা এলাম্নাই এসোসিয়েশন গঠন করতে পারবে। এরকম অসংখ্য প্রেমের ভিতর কিছু জটিল প্রেমের কঠিন নমুনা :
প্রথম প্রেম :পুরুষ মানুষ যতোবারই প্রেমে পড়ুক শেষের প্রেমটা বরাবরই প্রথম প্রেম হিসেবে চালিয়ে দেয়। প্রথম প্রেম বছর দশেক আগেও কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে এসে হতো, এখন অবশ্য প্রাইমারি বা হাইস্কুলেই ঘটে যায়। দেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে এটা তার প্রমাণ।
ত্রিভুজ প্রেম:এরকম প্রেম মূলত বাংলা সিনেমাতে বেশি দেখা যায়। এসব ত্রিভুজ আকৃতির সিনেমার তিন নম্বর ভুজে বেশির ভাগ সময়ই আমরা নায়ক বাপ্পারাজ বা ওমর সানীকে দেখে এসেছি।
ভারচুয়াল প্রেম :ম্যাসেঞ্জার বা ইমোতে হাই হ্যালো দিয়ে শুরু আর ব্লকের মাধ্যমে মূলত এই প্রেমের ইতি ঘটে। ছ্যাঁকা বা ধোঁকা খাওয়ার বেশ চান্স থাকা সত্বেও মানুষ এখানে প্রেম করে। তবে এই জগতের প্রেমিক-প্রেমিকাদের বেশির ভাগই বাসায় ওয়াইফাই ব্যবহার করে।
বিবাহ-পরবর্তী প্রেম: এটাকে প্রেম বলাটা অবশ্য একটু কঠিন। বিবাহ পূর্ববর্তী সময়ে যখন মোবাইলে রোমান্টিক ম্যাসেজ আসতো, সেখানে পরবর্তী সময়ে আসে ২ কেজি আলু, ১ কেজি বেগুন, ২ লিটার তেল ইত্যাদির ম্যাসেজ।
জলে না ডোবা প্রেম: কথায় বলে ‘প্রেমের মরা জলে ডোবে না’। তবে এখানে এক বিশেষ ধরনের প্রেমকে বোঝানো হয়েছে। সেটা হলো ‘ক্রাশ’ জাতীয় প্রেম। বড়ো ভাইয়া বা জুনিয়র আপুকে অনেক পছন্দ করেন, কিন্তু মুখ ফুটে বলতেও পারেন না, সইতেও পারেন না, এই প্রেম ভাই জীবনেও জলে ডুববে না; সেটা ওয়াসার জল হোক আর চোখের জলই হোক।
শিক্ষার্থী, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি
