দীঘিনালায় বিভিন্ন সড়ক বেহাল

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:১৭

পাঁচ ইউনিয়নে জনদুর্ভোগ

 

তমাল তরুণ দাশ, দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি) সংবাদদাতা

দীঘিনালার পাঁচটি ইউনিয়নের গ্রামীণ সড়কগুলো বেহাল অবস্থায় আছে। সংস্কার না করায় এসব সড়কে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক সড়কে সলিং উঠে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও সড়কের মাঝখানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে থাকে। এদিকে পাঁচটি ইউনিয়নের বেশকিছু সড়ক এখনো কাঁচা। ২ নম্বর বোয়ালখালী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা বলেন, সদর উপজেলা থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরে নৌকাছড়া, তেবাংছড়া, বক্রবাহন থেকে নিলোপাড়া পর্যন্ত সড়কগুলো এখনো কাঁচা রয়েছে।

৩ নম্বর কবাখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, উপজেলার নাকের ডগায় শুকনাছড়া রাস্তাটি এখনো কাঁচা। দীর্ঘদিন সংস্কার করতে পারি না। এদিকে রিজার্ভছড়া থেকে আলীনগর হয়ে দুর্গাকার্বারী পাড়া চার কিলোমিটার সড়কের ইট-সলিং বেশিরভাগ উঠে গেছে।  সংস্কার না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে লোকজন সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন। আমতলী গ্রামের প্রবীণ শিক্ষক পূর্ণজ্যোতি চাকমা বলেন, সড়কগুলো সংস্কার না করার কারণে উপজেলার সঙ্গে গ্রামীণ মানুষগুলোর ভোগান্তি ক্রমশ বাড়ছে।

৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার বাহন দেওয়ান জানান, সড়কের বেহাল অবস্থা নিয়ে অনেকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি, কাজ হয়নি।

দীঘিনালার ১ নম্বর মেরুং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রহমান কবীর রতন বলেন, বেশকিছু সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে।

৫ নম্বর বাবুছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ জীবন চাকমা বলেন, প্রতি বছরে অপ্রতুল বরাদ্দ দিয়ে গ্রামীণ সড়কগুলোর উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। দীঘিনালা প্রকল্প কর্মকর্তা মো. কাউছার আলম সরকার বলেন, খাগড়াছড়ি ৯টি উপজেলার জন্য যে বরাদ্দ থাকে তাতে উন্নয়ন করা কষ্টকর হয়ে পড়ে।

দীঘিনালা এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাজু আহম্মদ বলেন, এলজিইডির তিনটি ভাগে কাজ করে, প্রথমত উপজেলা থেকে উপজেলা, দ্বিতীয়ত ইউনিয়ন, তারপর তৃতীয় ধাপে গ্রামীণ সড়কগুলোর কাজ করে থাকে। যদি এসব সড়ক তালিকায় থাকে তাহলে সেগুলো সংস্কার হয়ে থাকে। 

খাগড়াছড়ি এলজিইডি প্রকৌশলী মো. হাছান আলী বলেন, যেসব গ্রামীণ সড়ক এলজিইডির আওতাভুক্ত আছে সেগুলো অবশ্যই পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন হবে। তবে গ্রামীণ সড়কগুলো যদি এলজিইডির তালিকাভুক্ত না হয়, সেক্ষেত্রে আমরা করতে পারি না।