মুজিববর্ষ পালনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্বাগতিক দেশ (হোস্ট কান্ট্রি) হলেও এটি বিশ্বব্যাপী পালিত হবে। গতকাল রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে দক্ষতা উন্নয়ন প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা বলেন। এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে অনেকগুলো প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের কর্মীরা কাজে খুবই দক্ষ। তাদেরকে একটু সুযোগ করে দিলেই তারা অনেক ভালো করতে পারে। তাদেরকে কেউ আটকাতে পারবে না।
জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ঢাকায় এশিয়ার ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে সব কিছুর পরিবর্তন আসবে প্রযুক্তির মাধ্যমে। এতে বাংলাদেশের স্বগৌরব উপস্থিতি থাকবে। শতভাগ মানুষকে যথোপযুক্ত দক্ষতার আওতায় আনতে হবে। অবশ্য দক্ষতা বাড়াতে অনেক প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হলেও এগুলোর বেশিরভাগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
মনমোহন প্রকাশ বলেন, উন্নয়ন টেকসই করতে বাংলাদেশকে ডাবল ডিজিট প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। স্বল্প মজুরি আর কম দক্ষতাপূর্ণ কর্মসংস্থান দিয়ে এই প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়ন ধরে রাখতে হলে বাংলাদেশকে শিক্ষা খাতে, বিশেষত কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ভাবতে হবে।
এ সময় বক্তারা বলেন, সাড়ে ১৬ কোটি জনসংখ্যার এ দেশে যুবকদের দক্ষতা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের তুলনায় এখনো পিছিয়ে। দেশের কারিগরি শিক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকা, যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও একক কোনো সংস্থা না থাকায় গুণগত প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে কর্মসংস্থানে প্রতিনিয়ত পিছিয়ে পড়ছে তারা। মান অনুযায়ী কাজ না থাকায় বেতন ও সন্তোষজনক হচ্ছে না।
