বিসিএল
পিনাকের সেঞ্চুরি, অপেক্ষায় আফিফ
স্পোর্টস রিপোর্টার
তামিম ইকবালের ট্রিপল সেঞ্চুরির ধাক্কায় বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) প্রথম রাউন্ডে হেরেছিল ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল। দ্বিতীয় রাউন্ডে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। সিলেটে গতকাল ম্যাচের তৃতীয় দিন শেষে উত্তরাঞ্চলের বিরুদ্ধে জয়ের সুবাস পাচ্ছে মধ্যাঞ্চল। আজ শেষ দিনে জয়ের জন্য মধ্যাঞ্চলের প্রয়োজন আরো ৫ উইকেট। আর হার এড়াতে উত্তরাঞ্চলের দরকার আরো ১৭৪ রান।
গতকাল অধিনায়ক শুভাগত হোমের সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩২৫ রানে অলআউট হয় মধ্যাঞ্চল। জয়ের জন্য উত্তরাঞ্চলের টার্গেট দাঁড়ায় ৩৩০ রান। গতকাল ৫ উইকেটে ১৫৬ রান তুলে দিনের খেলা শেষ করেছে উত্তরাঞ্চল। তানবির হায়দার ৫৪, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৫ রানে ব্যাট করছেন।
কক্সবাজারে দক্ষিণাঞ্চলের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৩০৬ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়ে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল। দ্বিতীয় ইনিংসে পিনাক ঘোষের সেঞ্চুরিতে ভালোই লড়ছে দলটি। সেঞ্চুরি থেকে ৭ রান দূরে আছেন আফিফ হোসেন। গতকাল তৃতীয় দিন শেষে পূর্বাঞ্চলের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩২৩ রান। ১৪৭ রানে এগিয়ে আছে পূর্বাঞ্চল। আফিফ ৯৩, জাকির হাসান ২৮ রানে ব্যাট করছেন।
সিলেটে গতকাল দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ ৫ উইকেটে ১৩৮ রান যোগ করে মধ্যাঞ্চল। যার মধ্যে ৯৪ রানই করেছেন শুভাগত। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১২তম সেঞ্চুরি করেন তিনি। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে শুভাগত ১৬১ বলে ১২২ রানের (১৩ চার, ২ ছয়) ব্যবধান গড়া ইনিংস খেলেন। জাকের আলী ২২, আরাফাত সানি ১৩ রান করেন। উত্তরাঞ্চলের সালাউদ্দিন শাকিল ৪টি, সুমন খান ৩টি ও তাসকিন ২টি করে উইকেট নেন। পরে ৩৩০ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ১৯ রানে দুই ওপেনারকে হারায় উত্তরাঞ্চল। মিডল অর্ডারে নাঈম ইসলাম (২৯), মুশফিকুর রহিমের (৩৮) প্রতিরোধ স্থায়ী হয়নি। দিন শেষের তিন ওভার আগে আরিফুল হকও (৩) ফিরেন। শহীদুলের বোলিং তোপেই উত্তরাঞ্চলের মিডল অর্ডার দাঁড়াতে পারেনি। একপ্রান্ত আগলে থাকা তানবির হায়দার দিনের অন্তিম সময়টুকু কাটিয়ে দিয়েছেন মাহিদুল ইসলামকে নিয়ে। মধ্যাঞ্চলের শহীদুল ৩টি, মুকিদুল-শুভাগত ১টি করে উইকেট নেন।
কক্সবাজারে গতকাল প্রথম ইনিংসে ৩৬ রান যোগ করতেই শেষ ৫ উইকেট হারায় পূর্বাঞ্চল। নাসির ২৮, জাকির ২৫ রান করেন। দক্ষিণাঞ্চলের মেহেদী হাসান ৫টি, রাজ্জাক ৩টি, ফরহাদ রেজা ১টি উইকেট পান। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ৪০ রানে ভেঙে যায় ওপেনিং জুটি। আশরাফুল রান আউট হন ২৮ রান করে। ইয়াসির আলী (৩), অধিনায়ক ইমরুল কায়েস (১৬), নাসির (২২) দ্রুত ফিরে যান। তবে একপ্রান্ত আগলে তোপ দাগান বাঁহাতি ওপেনার পিনাক ঘোষ। ৯৫ বলেই ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে পিনাকও রান আউট হয়েছেন। ১৩৯ বলে ১২২ রান (১৪ চার, ৪ ছয়) করেন তিনি। ষষ্ঠ উইকেটে আফিফ-জাকির অবিচ্ছিন্ন ৯৬ রানের জুটি গড়ে দিনের খেলা শেষ করেন। ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরিটা পেতে আফিফকে করতে হবে আরো ৭ রান।
