ঋণ বিতরণের চেয়ে আদায়ের ওপর জোর দিচ্ছে জনতা ব্যাংক

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:০০

ইত্তেফাক রিপোর্ট

খেলাপি ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল রাষ্ট্রীয় মালিকানার জনতা ব্যাংক। তবে ধীরে ধীরে সে অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। চলতি বছর শেষে এ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ এক অঙ্কের ঘরে নেমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুছ ছালাম আজাদ। এ কাজ করতে গিয়ে ঋণ বিতরণের চেয়ে ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে ব্যাংকটির অগ্রাধিকার থাকবে বলে জানান তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় মো. আবদুছ ছালাম আজাদ বলেন, গত বছরের মার্চে জনতা ব্যাংকের মোট বিতরণ হওয়া ঋণের মধ্যে খেলাপির পরিমাণ ছিল ৩৯ শতাংশ। ডিসেম্বরে তা ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে। ধীরে ধীরে আরোও কমবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে জনতা ব্যাংকের আমানত দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকের বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা, আমদানি ২০ হাজার কোটি টাকা ও রপ্তানি ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। রেমিট্যান্স আহরণেও ভালো করছে এ ব্যাংক। রেমিট্যান্স আহরণ বাড়ানোর জন্য নানান উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যাংকের ব্যবসায়িক সব সূচকে আমাদের অর্জন ইতিবাচক হলেও বৃহত্ দুইটি গ্রুপ ঋণখেলাপি হয়ে পড়ায় আমরা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিলাম। তবে ক্রিসেন্ট ও অ্যাননটেক্স গ্রুপের চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠে ব্যবসার সবক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের মাধ্যমে জনতা ব্যাংক শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

ব্যাংকটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা এ কে এম শরীয়তউল্লাহ এফসিএ বলেন, ২০১৮ সালে ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা ছিল ৯৬৪ কোটি টাকা। ২০১৯ সালে তা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা হয়েছে। অন্যান্য সূচকেও ভালো করছে এ ব্যাংক। তিনি বলেন, ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে সতর্কতা পালন করা হচ্ছে। আর বিতরণ হওয়া ঋণ আদায়ের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি আমরা।