রংপুর নগরী

যত্রতত্র ক্লিনিক্যাল বর্জ্য জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে!

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৪০

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর

রংপুরে যত্রতত্র ক্লিনিক্যাল বর্জ্যের কারণে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এসব ক্লিনিক্যাল বর্জ্য অপসারণে সম্প্রতি সিটি করপোরেশনের সঙ্গে একটি এনজিও চুক্তি করলেও অধিকাংশ ক্লিনিক মালিক তা মানছেন না। রংপুর সিটি করপোরেশন বলছে, যারা ক্লিনিক্যাল বর্জ্য আইন মানছেন না, তাদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান বলেন, রংপুর নগরীতে একটি সরকারি চিকিত্সা মহাবিদ্যালয় হাসপাতাল এবং কয়েকটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে। এছাড়াও সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী রংপুর মহানগরীতে ৩৬৫ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। মূলত এসব থেকেই ক্লিনিক্যাল বর্জ্য উত্পন্ন হচ্ছে। বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ হবে শিগগির। সিটি করপোরেশন জানায়, খুব দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে এদের বিরুদ্ধে। এই বর্জ্যর কারণে মহানগরীর মাটি পানি বাতাস দূষিত হচ্ছে। চর্মরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগের শিকার হচ্ছে। সতি প্রিজম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন নামের একটি বেসরকারি সংস্থা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে এসব বর্জ্য পুড়িয়ে ধ্বংস করতে চুক্তি করেছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্লিনিক মালিক এই চুক্তির আওতায় আসছেন না। সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শতাংশের বেশি চুক্তির আওতায় আনা যায়নি, তারা ক্লিনিক্যাল বর্জ্য আইন মানছে না। সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে খুব দ্রুত এসব ক্লিনিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে রংপুর সিভিল সার্জন ডাক্তার হিরম্ব কুমার ইত্তেফাককে জানান, ক্লিনিক মালিকরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইন মানছেন না। যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে ক্লিনিক্যাল বর্জ্য। অচিরেই বর্জ্য অপসারণ করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। দূষিত পরিবেশ থেকে রংপুর মহানগরীকে রক্ষা করা হবে।