সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি
ইত্তেফাক রিপোর্ট
সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে হলে আইনের শাসন সুনিশ্চিত করা জরুরি। দেশের প্রেক্ষাপটে সড়ক দুর্ঘটনার ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে কোনো মামলা হয় না। যে অল্পসংখ্যক মামলা হয়, তার বেশির ভাগই তদন্তে দুর্বলতাসহ নানা কারণে আসামিরা খালাস পেয়ে যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সুশাসন থেকে বঞ্চিত হয়। গতকাল বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে সড়কে সন্তান-স্বজনহারা অভিভাবক ফোরাম ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের (নিসআ) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এসব কথা বলেন। সড়ক দুর্ঘটনায় সেন্ট যোসেফ কলেজের একাদশ শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী আদনান তাসিনের নিহতের পর বিচারহীনতার এক বছর পালন উপলক্ষ্যে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সড়কে সন্তান-স্বজনহারা অভিভাবক ফোরামের সমন্বয়ক ও রাজধানীর শেওড়ায় নিহত আদনান তাসিরের পিতা আহসানুল্লাহ টুটুল, উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরে নিহত মাইলস্টোন স্কুলের শিক্ষার্থী ফাইজা তাহসিনা সূচির পিতা সাংবাদিক ফাইজুল ইসলাম, শেওড়ায় নিহত মো. সাইফুল ইসলামের ছোটো ভাই মো. নাজিমুদ্দিন, নিহত এনামুল হকের ছেলে ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক ইনজামুল হক, গুলশানে নিহত পপি ত্রিপুরার ভাই জয়ন্ত নিকোলাস ত্রিপুরা, ঢাকার ওয়ারীতে নিহত আবিদের বোন লিজান, কুড়িল বিশ্বরোডে নিহত আলফাজ শিকদারের ভাই আমান উল্লাহ শিকদার, গফুর শেখের পুত্র মিলন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এনাম সরকার প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রাজীব, ফাইজা, করিম, হিমেল, আরিফ, আবরার, লাবণ্য, তাঞ্জিলা, ওয়াসিম, সালাউদ্দিন, শিল্পী, সাব্বির প্রমুখ শিক্ষার্থীর ঘাতকদেরও বিচার দাবি করা হয়। আদনান, ফাইজাসহ অনেক শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার কোনো অগ্রগতি নেই। বরং আটক বাস বা মাইক্রোবাস মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
