তদন্তের পর ব্যবস্থা: পূর্ত সচিব
রফিকুল ইসলাম রবি
জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) এক অনিয়মের অভিযোগে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রাজশাহীর তেরখাদিয়া প্রকল্পের প্লট বরাদ্দের লটারিতে অনিয়মের অভিযোগে দুদক এ চিঠি দেয়। দুদকের চিঠি পেয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। গত ৩ সেপ্টেম্বরে দুদকের মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) মোহাম্মদ জয়নুল বারী স্বাক্ষরিত একটি পত্র গণপূর্ত সচিবের কাছে পাঠানো হয়। এ পত্রে অভিযুক্তদের ব্যাপারে পনের কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন দুদকের কাছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
দুদক থেকে পাঠানো অভিযোগ পত্রে দেখা যায়, রাজশাহীর জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাভভোকেট ফজলে আমিনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৬ এপ্রিল গণপূর্ত কনফারেন্স রুমে লটারি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বিভিন্ন পেশায় ৪৪ টি প্লট বরাদ্দ হয়। কিন্তু ৪৪টি লটারি হলেও পরে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের ওয়েব সাইটে ৫০টি প্লট বরাদ্দের তালিকা প্রকাশ করা হয়। মল্লিকা সুলতানা, শ্যামল কুমার রায়, বশির আহমেদ খান, মিলন কুমার রায়, আনিছুর রহমান ও শাকিলা পারভিন নামের ছয় জনকে লটারি বহির্ভূত প্লট দিয়ে তা ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। লটারির পুরো সময়ের ভিডিও রেকর্ডিং অভিযোগকারীর নিকট আছে বলে উল্লেখ করেন।
এ ব্যাপারে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহিদউল্লা খন্দকার জানান, দুদক থেকে একটি চিঠি দিয়ে আমাদের তদন্ত করতে বলা হয়েছে। আমরা এ বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছি। তদন্তের পর দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
