সৈয়দপুর ২ নম্বর রেলগেট

রেলগেট ছোটো রাস্তা বড়ো!

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:১৫

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

উভয় পাশে প্রশস্ত সড়ক। মাঝে সরু রেলগেট। এ চিত্র নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের পোস্ট অফিস মোড়ের ২ নম্বর রেলঘুন্টি এলাকার। দুর্ঘটনা-দুর্ভোগ লেগেই আছে। ভোগান্তি ও যানজট নিরসনে ২ নম্বর রেলগেট সম্প্রসারণ ও ডাবল ওয়ের দাবি মানুষের।

সৈয়দপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র জিয়াউল হক জানান, ২ নম্বর রেলগেটটি অত্যন্ত ব্যস্ততম এলাকায় অবস্থিত। ঐ পথে মানুষ সৈয়দপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সৈয়দপুর প্ল­াজা, চৌধুরী টাওয়ার, শিল্প সাহিত্য সংসদ সুপার মার্কেট, সৈয়দপুর থানা, উত্তরা ইপিজেড, সানফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মুসলিম উচ্চবিদ্যালয়, সৈয়দপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজ, ফাইলেরিয়া হাসপাতালসহ বাইপাস সড়কে যেতে পারেন। অনুরূপভাবে শহরের মূল অংশে আসতে হয় ঐ রেলগেট হয়ে। শহরের বিভিন্ন আবাসিক এলাকা ও থিম পার্ক রয়েছে  রেলগেটের অপর পাশে। ফলে রেলগেটটিতে ভিড় লেগেই থাকে। এ কারণে আমরা ২০১৬ সালে সর্বশেষ রেলওয়ে স্টেট বিভাগ ও পরিবহন বিভাগকে চিঠি দিয়েছি। তবে দীর্ঘদিনেও এর জবাব মেলেনি। পথচারী আবেদ আলী, সাহেব সরকার, আবিদা সুলতানা জানান, ১৯৯৬ সালে সৈয়দপুরে ২ নম্বর রেলগেটে দুর্ঘটনায় পড়ে নিহত হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সুমন। এছাড়াও ঐ রেলগেটে দুর্ঘটনায় পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। আর ছোটোখাটো দুর্ঘটনা তো লেগেই আছে। অতিদ্রুত রেলগেটটি সম্প্রসারণ ও ডাবল ওয়ে করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সৈয়দপুর রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার সিদ্দিকী তাঞ্জিলুর রহমান বলেন, ২ নম্বর রেলঘুন্টিটি ক্রমাগত দুর্ঘটনাপ্রবণ হয়ে উঠছে। গেটটি দ্রুত সম্প্রসারণ ও ডাবল ওয়ে করা উচিত। এ প্রসঙ্গে সৈয়দপুর রেলওয়ে পূর্ত বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী তহিদুল ইসলাম জানান, ২ নম্বর রেলগেটটি সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন। ফলে এখানে রেললাইনের একাধিক ক্রসিং পয়েন্ট রয়েছে। আর তাই রেলগেটটি সম্প্রসারণ বেশ জটিল। তবুও জনস্বার্থে এর সম্প্রসারণ হতে হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি। শিগগিরি রেলগেটটি ডাবল ওয়ে করা হবে।