পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, দুর্বলদের প্রতি ন্যায়বিচার না হলে এক সময় তা বিদ্রোহের পথে চালিত হয়। যেমনটা হয়েছে সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে। সেখানকার জনগণকে তাদের অধিকার দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশ সৃষ্টির পেছনে শোষণ-বঞ্চনাই ছিল প্রধান কারণ। শনিবার লাহোরে পাঞ্জাব সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ভারতের বার্তা সংস্থা পিটিআই’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইমরান খান বলেন, সংখ্যালঘুরা যাতে নিরাপত্তা, সুরক্ষা অনুভব করে, নতুন পাকিস্তানে তারা যাতে সমান অধিকার পায়, তার সরকার তা নিশ্চিত করবে। সংখ্যালঘুদের সঙ্গে কেমন আচরণ করতে হয়, তা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারকে দেখিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এখন ভারতের লোকজনই বলছে, সেখানকার সংখ্যালঘুরা সমান নাগরিক হিসেবে ব্যবহার পাচ্ছে না। দুর্বলেরা যদি ন্যায়বিচার না পায় তাহলে তা অভ্যুত্থানে রূপ নেবে।
ভারতে গোহত্যা নিয়ে সহিংসতার পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির প্রবীণ অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহের একটি মন্তব্য থেকে সৃষ্ট বিতর্কের জেরে ইমরান খান সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রসঙ্গে কথা বলেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে ভারতের উত্তর প্রদেশের বুলান্দশার জেলায় কথিত গোহত্যা নিয়ে সহিংস ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ দুই জন নিহত হন। এ মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের মুখে পড়েন নাসিরুদ্দিন শাহ।
