পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত তিনটি শিল্পবিপ্লব হয়েছে। ১৭৬০ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রথম শিল্প বিপ্লবের সূচনা হয়। ১৮৭০ সালে বিদ্যুত্ আবিষ্কারের ফলে দ্বিতীয় এবং ১৯৬০ সালে তথ্যপ্রযুক্তির উদ্ভবে ঘটে তৃতীয় বিপ্লব। এখন আমরা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে। এটি হবে মূলত ডিজিটাল বিপ্লব। প্রশ্ন হতে পারে, ডিজিটাল বিপ্লবের সময়ে কেন আমরা দর্শন পড়ব? এটি আমাদের কী কাজে লাগবে? ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০১৮-এর রিপোর্ট অনুযায়ী চতুর্থ বিপ্লবে মানুষকে টিকে থাকতে হলে যেসব দক্ষতার প্রয়োজন হবে তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছে জটিল সমস্যাগুলো সমাধান, সমালোচনামূলক চিন্তা, সৃজনশীলতা, বিচার করার ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। দর্শন শেখাবে কীভাবে জটিল সমস্যার যুক্তিযুক্ত সমাধান করা যায়, কিভাবে করা যাবে সমালোচনামূলক চিন্তা। দর্শনে পড়ানো হয় ইথিস যা মানুষের আচরণবিধি নিয়ে আলোচনা করে। যা মানুষের আচরণ বিচার এবং তার ওপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা শেখাবে। এভাবে দর্শন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ময়দানে গড়ে তুলব যোগ্য সেনা হিসেবে।
মো. শাহ আজিজ
দর্শন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
