টার্গেট ছিল শাহ আলম জীবন। তাকে না পেয়ে খুন করা হয় একই গ্রুপের সুমন সিকদারকে। গ্রেফতারকৃত পাঁচ আসামি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, খুনিরা টার্গেট করেছিল মোহাম্মদপুরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার তারেকুজ্জামান রাজীবের সহযোগী শাহ আলম জীবনকে। তাকে না পেয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন শেষে ঐ রাতে একই গ্রুপের লোক হিসেবে পরিচিত সুমন শিকদারের (২৫) ওপর হামলা করে ভাত রাসেল ও ইমন গ্রুপের ক্যাডাররা। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে সুমনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিত্সক।
এ হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার পাঁচ আসামির মধ্যে দুই জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। গ্রেফতার পাঁচ জন হলো—মো. রাসেল , আল আমিন খান, মো. ইমরান, মো. শাকিল ও মো. রাজীব। গত মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।ওয়াহিদুজ্জামান আরো বলেন, মোহাম্মদপুরের সাবেক কমিশনার রাজীবের সহযোগী শাহ আলম জীবনকে নির্বাচনের দিন রাতে হত্যার উদ্দেশ্যে বের হয় ইমনের লোকজন। ক্লাবে গিয়ে শাহ আলমকে পায়নি তারা। পরে রহিম ব্যাপারীর ঘাট এলাকায় ইমনের লোকজন দেখে দৌড়ে পালানোর সময় সুমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে হামলাকারীরা। পরে সুমনকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন। পরে নিহতের ভাই মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। ইমন পলাতক রয়েছে। ডিবি পশ্চিম বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, ঘটনাটা দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের কারণে হয়েছে। সুমন হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
