আলোচনা সভায় বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, পরিবেশদূষণ, জীবন যাত্রায় পরিবর্তনসহ নানাবিধ কারণে ডায়াবেটিস, হূদরোগ, স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, বিষণ্নতাসহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ মানুষের মধ্যে বাড়ছে। যা আগামী দিনে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড়ো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। স্বাস্থ্যবান জাতি পেতে হলে শিশু-কিশোরদের অস্বাস্থ্যকর খাবার ও নেশাজাত দ্রব্য থেকে দূরে রাখতে হবে। জনস্বাস্থ্যবিষয়ক সংশ্লিষ্ট আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে অস্বাস্থ্যকর খাবারের বিজ্ঞাপন বন্ধে অনতিবিলম্বে কার্যকর প্রশাসনিক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
বৃহস্পতিবার রায়েরবাজারে শিশুদের নিয়ে ‘স্বাস্থ্যকর খাবার খাই রোগ প্রতিরোধে এগিয়ে যাই’ শীর্ষক কর্মসূচিতে বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট ও শের-ই-বাংলা আইডিয়াল স্কুল’ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে স্কুলে ও কমিউনিটিভিত্তিক শিশুদের খেলাধুলা-শরীর চর্চার জন্য মাঠ-পার্ক—সব বয়সি মানুষের গণপরিসর বৃদ্ধি, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনসহ জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সচেতনতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে কোমল পানীয় ও জাঙ্কফুডের উপাদান এবং এগুলোর ক্ষতিকর দিকগুলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে জাঙ্কফুড, ফাস্টফুড ও ক্ষতিকর কোমল পানীয় পরিহার করে, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেন বক্তারা। উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিহার করার আগ্রহ দেখা যায়।
শের-ই-বাংলা আইডিয়াল স্কুলের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন অপুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের নেটওয়ার্ক কর্মকর্তা শুভ কর্মকার। বক্তব্য রাখেন—ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের সহপ্রকল্প কর্মকর্তা আবু রায়হান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডাব্লিউবিবি ট্রাস্ট্রের প্রকল্প কর্মকর্তা সামিউল হাসান। অনুষ্ঠানে শের-ই-বাংলা আইডিয়াল স্কুলের বিভিন্ন ক্লাসের শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
