বসন্ত-ভালোবাসায় সরগরম রাজশাহীর ফুলের বাজার

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:৩৯

ফুল শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও পবিত্রতার প্রতীক। এমনকি শোকের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে ফুল। তাই যে কোনো উত্সবে ফুলের দোকানে গ্রাহকদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। বসন্ত ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে শুক্রবার রাজশাহীর অধিকাংশ মার্কেট ও বিপণিবিতান বন্ধ থাকলেও সরগরম হয়ে উঠেছিল ফুলের বাজার। শহরের বেশ কয়েকটি ফুলের দোকানে দিনভর ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়। এসব দোকানে প্রচুর বিক্রি হয়েছে সতেজ তরতাজা হরেক ফুল।

দোকানীরা জানান, শুক্রবার পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবস হলেও বৃহস্পতিবার থেকেই ক্রেতাদের ভিড় লেগে যায়। বসন্ত ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে বছরের অন্য সময়ের তুলনায় বৃহস্পতি ও শুক্রবার সবধরনের ফুলের চাহিদা ছিল বেশি। ক্রেতাদের অভিযোগ, বসন্ত ও ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে ফুলের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। দাম বেশি হলেও বসন্ত বরণের উত্সব এবং ভালোবাসার কাছে যে বাড়তি দাম কোনো বিষয়ই নয়, তারই প্রমাণ ফুলের দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়।

বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাজশাহীতে গোলাপ বিক্রি হয়েছে প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা, জিপসী প্রতি আটি ২০০ টাকা, রজনীগন্ধা প্রতি পিস ১৫ টাকা, গ্ল্যাডিওলাস প্রতি পিস ১০ টাকা, অর্কিড প্রতি পিস ২০ টাকা, জারবেরা প্রতি পিস ২০ টাকা ও গাঁদা বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকায় ১০০ ফুল।

বিনোদপুর থেকে সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে ফুল কিনতে আসা রাবি ছাত্রী ফারজানা বলেন, বসন্ত উত্সব, ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে একদিন আগেই ফুল কিনেছেন তিনি। ফুলের বেশি দাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভালোবাসা দিবসে ফুলের দাম প্রতিবছর বেশিই থাকে। বেশি দাম দিয়েই কিনতে হলো। কিছুই করার নেই উত্সব তো পালন করতেই হবে।

আরেক ক্রেতা শামীম বলেন, তিনি মনে করেন ভালোবাসার প্রতীক ফুল ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। তাই তিনি আগেই ফুল কিনেছেন। কারণ পছন্দের মানুষকে বিশেষ দিনে ফুলের সুবাসে মাতাতে চান। আর এর মাধ্যমেই স্মরণীয় করে রাখতে চান দিনটি। ফুলের দাম যাই হোক না কেন ভালোবাসার কাছে তা মূল্যহীন।