শ্রীলঙ্কায় পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জ

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ০০:৪১

শ্রীলঙ্কায় পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের সিদ্ধান্তকে শীর্ষ আদালতে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দল। দলগুলো প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়ে গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে। খবর আল-জাজিরার

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী রনিলবিক্রমসিংহের দল ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি), প্রধান বিরোধী দল তামিল ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স (টিএনএ) এবং বামপন্থি দল পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট (পিএলএফ) একত্রে সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানায়। আবেদনটি গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে কখন শুনানি হবে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি। আদালতের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কেবল রাজনৈতিক দল নয়, সুশীল সমাজের অনেক প্রতিনিধিও একই আবেদন করেছেন শীর্ষ আদালতে। এর আগে রবিবার প্রেসিডেন্ট সিরিসেনার নির্দেশকে অমান্য করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহবান জানান পার্লামেন্টের স্পিকার কারু জয়সুরিয়া। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে আমি পর্যবেক্ষণ করেছি যাতে দেখা যায়, নির্বাহী বিভাগ সরকারি কর্মচারীদের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশপ্রেম নিয়ে সবাইকে কাজ করার আহবান জানান স্পিকার। তবে প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা দাবি করেছেন, সহিংসতা এড়াতেই তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে বাধ্য হয়েছেন। পার্লামেন্ট চালু হলে এমপিদের মধ্যে সহিংসতার আশংকা ছিল বলে তিনি জানান। 

রবিবার প্রেসিডেন্টের দল শ্রীলঙ্কা ফ্রিডম পার্টি (এসএলএফপি) ছেড়ে নতুন দল শ্রীলঙ্কা পিপলস পার্টিতে (এসএলপিপি) যোগ দেন মাহিন্দা রাজাপাকসে। গত ২৬ অক্টোবর প্রেসিডেন্ট সিরিসেনা প্রধানমন্ত্রী রনিলবিক্রমসিংহকে বরখাস্ত করেন। তিনি রাজপাকসেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট পার্লামেন্ট ভেঙে দিয়ে ৫ জানুয়ারি আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন।