আজ সিরিজ নির্ধারণী
স্পোর্টস ডেস্ক
দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ছিল ২০৫ রানের বিশাল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে বেশ পরিকল্পনামাফিকই এগিয়ে যাচ্ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু, ডারবানে শেষ ওভারের পরীক্ষায় আর পারল না ‘চোকার’ খ্যাত দলটি। ফলাফল, রোমাঞ্চকর ম্যাচে মাত্র দুই রানের জয় নিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতায় ফিরল ইংল্যান্ড দল। আজ রবিবার অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি।
ম্যাচ শেষে প্রোটিয়া অধিনায়ক কুইন্টন ডি কক বলেন, ‘দুই দলই ভালো ক্রিকেট খেলেছি। যারা শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে পেরেছে তারাই জিতেছে। ওরা (ইংল্যান্ড) শেষের দিকে ভালো বোলিং করেছে। এত কাছে এসেও পরাজয়ের যন্ত্রণা বলে বোঝান যাবে না। আশা করি শেষ ম্যাচেই আমরা এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারব।’
টসে হেরে শুক্রবার রাতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২০৪ রান করে ইংলিশরা। জবাবে ২০২ রানে থামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস।
ইংল্যান্ডের বড়ো রানের জবাবটা দারুণ দিচ্ছিলেন অধিনায়ক কক। ১৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। টি-টোয়েন্টিতে এটাই যে কোনো দক্ষিণ আফ্রিকানের দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি। ২২ বলে ৬৫ রানের ইনিংসে দুইটি চারের সঙ্গে হাকান ৮টি ছক্কা।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য স্বাগতিকদের দরকার ছিল ১৫ রান। ইংলিশ পেসার টম কুর্যানের প্রথম বলে রান না আসলেও পরের দুই বলে ছক্কা ও চারে ১০ রান তুলে ম্যাচের লাগাম নিজের হাতে নেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। চতুর্থ বলে আসে দুই রানে। কিন্তু, শেষ তিন দুুই বলে মাত্র তিন রান প্রয়োজন হলেও আর কোনো রানই তুলতে পারে না স্বাগতিকরা। বরং, হারায় দুই উইকেট। এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো না হলেও, দ্বিতীয় উইকেট ৫২ রানের জুটিতে বড়ো সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দেন জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টো। ২৯ বলে ৪০ রান করেন রয়। বেয়ারস্টোর ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ৩৫। পাঁচে নেমে ৪ টি চার ও দুই ছক্কায় ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন স্টোকস। শেষ দিকে মইন আলির ১১ বলে ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংসেই শেষটা ভাল হয় সফরকারীদের। তিনিই পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার। চার ওভারে ৪৮ রান হজম করে তিন উইকেট নেন প্রোটিয়া পেসার লুঙ্গি এনগিডি।
