অসময়ে রাজশাহীর বাজারে তরমুজ!

আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:২১

এবার বসন্তের শুরুতেই রাজশাহীর বাজারে দেখা মিলেছে তরমুজের! কিন্তু এখনো প্রকৃতিতে শীতের আমেজ থাকায় দাম ও বিক্রি দুটিই কম বলে জানিয়েছেন হতাশ তরমুজবিক্রেতারা। এদিকে চুক্তি অনুযায়ী আগাম জাতের তরমুজ চাষিদের কাছ থেকে কিনে আড়তে এনে রেখে লোকসানের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন পাইকারী ব্যবসায়ীরা। উল্লেখ্য, রাজশাহীতে খুব কম পরিমাণ জমিতে তরমুজের চাষ হয়ে থাকে। গরমকালের তরমুজ এখনো বাজারে আসেনি, সেগুলো মিলবে আরো দেড় মাস পর গ্রীষ্মকাল শুরু হলে। এখন যেগুলো পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলো আগাম জাতের তরমুজ। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত দুই সপ্তাহ ধরে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার, লক্ষ্মীপুর, রেলগেট, রেলস্টেশন ও শিরোইল কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন বাজারে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। নগরীর শালবাগান পাইকারী আড়ত থেকে তরমুজ কিনে খুচরা বাজারে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করছেন ফল ব্যবসায়ীরা। খুচরায় প্রতি কেজি ৫০ টাকা দর হাঁকা হচ্ছে এসব তরমুজের।

গতকাল শনিবার সকালে নগরীর সাহেববাজার থেকে তরমুজ কিনছিলেন বিনোদপুর এলাকার বাসিন্দা আশিকুল ইসলাম আশিক। তিনি বলেন, ‘বসন্ত শুরু হলেও এখনো শীত পড়ছে। এজন্য তরমুজ খাওয়া হচ্ছে না। তবে মেয়ে তরমুজ খুব পছন্দ করে বলে কিনলাম।’ বিক্রেতা আমজাদ হোসেন বলেন, ‘অন্য বছরের চেয়ে অনেক আগেই এবার বাজারে তরমুজ এসেছে। আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন অনেক চাষি। আমরাও লাভের আশায় পাইকারী কিনে খুচরা বিক্রি করছি।’ তবে বেশ শীত থাকায় বিক্রি হচ্ছে না বললেই চলে। গরম পড়লে তরমুজ বিক্রি জমবে বলে আশা করছেন তিনি।

তিনি আরো জানান, আগাম জাতের কালা, বাংলালিংক, গ্রামীণ, আনারকলি, অলক্লিন, চায়না-২, এশিয়ান-২, বালিসহ বিভিন্ন জাতের তরমুজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। এ অঞ্চলে গরম বেশি পড়ায় তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকে। তবে এবার আবহাওয়া অন্যরকম থাকায় ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়তে পারেন।