অনেকটাই নতুন যুগের দ্বারপ্রান্তে সুপারসনিক জেট বিমান। এই বছরের মধ্যেই হয়তো যাত্রা শুরু করতে পারে সুপারসনিক জেট বিমান। সুপারসনিক জেট বিমানের যাত্রা শুরু হলে বর্তমান সময়ের চেয়ে অর্ধেক সময়ে আটলান্টিক পার হতে পারবেন যাত্রীরা। মার্কিন বেসরকারি বিমান কোম্পানি দাবি করেছে, তাদের তৈরি জেট বিমান চালু হলে যাত্রীরা তিন ঘণ্টা ১৫ মিনিটেই নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডনে পৌঁছাতে পারবেন।
তবে সুপারসনিক জেট বিমানের বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতাও ইতিমধ্যে সামনে চলে এসেছে। গতির দিক দিয়ে সুপারসনিক জেট বিমান সব থেকে দ্রুতগামী হলেও জেট বিমানের প্রকৌশলগত দিক, পরিবেশগত দিক এবং অর্থনৈতিক দিক -এই তিনটি বিষয় কিছুটা ভাবাচ্ছে বিজ্ঞানীদের।
প্রথমত সুপারসনিক জেট বিমানের প্রচণ্ড শব্দ নিয়ে চিন্তিত তারা। একই সঙ্গে সুপারসনিক জেট বিমান সাধারণ বিমানের চেয়ে বেশি কার্বন নির্গত করে। এছাড়া জেট বিমান পরিচালনা অনেক বেশি ব্যয়বহুল হওয়ায় সকল শ্রেণির যাত্রীদের সক্ষমতা নিয়েও ভাবছেন নির্মাতা কোম্পানিগুলো। সবগুলো বিষয় কাটিয়ে উঠতে পারলে অচিরেই বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে পারে জেট বিমান।
মার্কিন বিমান নির্মাতা কোম্পানি কনকর্ডের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বেশ প্রশংসনীয়। তবে কনকর্ডের তৈরি করা সুপারসনিক জেট বিমান পরিবেশে অনেক বেশি কার্বন নির্গত করে, শব্দও অনেক বেশি এবং পরিচালনা ব্যয়ও বেশি। অন্যদিকে এইরিওন করপোরেশন তাদের সুপারসনিক জেট বিমান কর্তৃপক্ষ দাবি করছে তাদের জেট বিমান অচিরেই বাজারে আসবে; হতে পারে তা এ বছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই। এইরিওন করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান এবং প্রধান নির্বাহী বলেন, ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে আমাদের জেট বিমান চলাচল শুরু করেছে। ৮ থেকে ১২ জন যাত্রীকে নিয়ে চলাচলের জন্য কোম্পানিটি তৈরি করেছে এএস-২ মডেলের একটি বিশেষ জেট বিমান।-সিএনএন
