বর্তমানে একটি কোম্পানিকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদনে প্রায় ৪০০ শর্ত পরিপালন করতে হয়। তারপরেও আইপিওর মান নিয়ে সমালোচনা করা হয়। কিন্তু কেউ মান উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করে না। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি ছায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, আইপিওর মান উন্নয়নে বিদ্যমান ৪০০ শর্ত ছাড়াও যদি অন্য কোনো শর্ত প্রয়োজন মনে করা হয়, তাহলে সে বিষয়ে কমিশনে সুপারিশ করা যেতে পারে।
বিএমবিএর নবনির্বাচিত কমিটি সুশাসনের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে বলে জানান ছায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, বিনিয়োগ সিদ্ধান্তের মূল চালিকাশক্তি আর্থিক হিসাব। এর মান উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এজন্য আইসিএবি এবং এফআরসির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এছাড়া এ বিষয়ে মার্চ মাসে একটি সেমিনার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিএমবিএ সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ ব্যাংক ফান্ড নিয়ে যুগান্তকারী নীতি সহায়তা দিয়েছে যা ইতিমধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগ্রহ এবং সাহস যোগাচ্ছে। এ সহায়তা কোনো প্রকার দান বা ভর্তুকি না। ফলে এটা নিয়ে অপপ্রচার করার কোনো সুযোগ নেই। তারপরেও কেউ কেউ বিষয়টিকে ব্যাংকের জন্য বোঝা, ট্যাক্সের টাকা ইত্যাদি ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করছেন যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হংকংয়ের শেয়ারবাজার খুবই শৃঙ্খল। সেখানেও বছরে তালিকাভুক্ত হওয়া ২০০ কোম্পানির অর্ধেক অভিহিত মূল্যের নিচে চলে আসে। আমরা যে ভারতের শেয়ারবাজারকে অনুসরণ করি, সেখানে প্রথম দিনেই অনেক কোম্পানির শেয়ার দর অভিহিত মূল্যের নিচে লেনদেন হয়।
তিনি বলেন, শক্তিশালী শেয়ারবাজার গঠনে বিএমবিএর পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা হবে। আগামীতে কিছু বিষয়ে গুরুত্ব দেবে বিএমবিএ।
বিএমবিএ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ মতিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মনিরুজ্জামান, নির্বাহী সদস্য মাহবুব এইচ মজুমদার, নুর আহামেদ, মো. হামদুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
