খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ০০:৪১

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা। গতকাল সোমবার নির্বাচন কমিশনার মো:রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এই কথা বলেছেন। আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নিজ কক্ষে রফিকুল ইসলাম বলেন, মনোনয়নপত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রিটার্নিং কর্মকর্তার। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে কোনো প্রার্থী কমিশনে আপিল করতে পারবেন।

গত ৮ নভেম্বর ইসি একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। যদিও গতকাল পুনঃতফসিল ঘোষণা করে নতুন করে ২৩ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ৩০ ডিসেম্বর ভোট নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে ফেনী-১ এবং বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসন থেকে মনোনয়নপত্র তোলা হয়েছে। তবে খালেদা জিয়া আদৌ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। কারণ, উচ্চ আদালত ইতোমধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা  জিয়াকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। নিম্ন আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার ৭ বছরের সাজা হয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে প্রার্থীর যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো আদালতে দুই বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হবেন। তবে আদালতের এমন রায়ের বিরুদ্ধে কেউ উচ্চ আদালতে আপিল করলে সেই ব্যক্তি নির্বাচন করতে পারবেন কি না সে বিষয়ে আইনে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, জমা হওয়া মনোনয়নপত্র বৈধ কি অবৈধ সে বিষযে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার রিটার্নিং কর্মকর্তার। রিটার্নিং কর্মকর্তা কারও মনোনয়নপত্র অবৈধ বলে বাতিল করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ইসিতে আপিল করতে পারবেন। কমিশন সেই আবেদন বাতিল করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন। আদালত যে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন সে অনুযায়ী কাজ করবে।